পেঁয়াজের দাম বেশি, তাই কলির ব্যবহার
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০৭ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৯ঃ২২
পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষ তরকারির সঙ্গে পেঁয়াজের পরিবর্তে কলি (পেঁয়াজের ফুলের ডাটা) ব্যবহার করছে।
বগুড়ার কৃষকরা অল্প পরিমাণে পেঁয়াজের বীজ উত্পাদন করে। আবার পেঁয়াজের কলি না ভেঙে রেখে দিলে পেঁয়াজ বড় না। তাই কৃষকরা কলি ভেঙে বাজারে বিক্রি করে। পেঁয়াজের এই কলি সালাদে এবং সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। হাটে-বাজারে দেদারছে পেঁয়াজের কলি বিক্রি হচ্ছে। জেলায় এ বছর ৪ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছে কৃষকরা। যা থেকে ৩৭ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উত্পাদনের আশা করছেন জেলার কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন। কিন্তু এই পরিমাণ পেঁয়াজে জেলার চাহিদা মেটানো সম্ভব না। চাষিরা পেঁয়াজর সঙ্গে কলি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।
পেঁয়াজ চাষি বগুড়ার মোকামতলার আব্দুর মোত্তালিব জানান, তিনি পেঁয়াজের সঙ্গে কলি বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন। খুচরা বাজারে কলি ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও পাইকারি বাজারে প্রতি আঁঁটি (এক গুচ্ছ) হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর তিনি ৪০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেন, কলি বিক্রি করেন ২০ টাকায়। জেলার কৃষি কর্মকর্তারা জানান, পাবনা, যশোর, ফরিদপুর, নাটোরে পেঁয়াজের বীজ উত্পাদন হয়। যে সব পেঁয়াজের ফুল থেকে বীজ উত্পাদন করা হয়, সেই সব পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না। এই সব পেঁয়াজের কলি ভাঙা হয় না; ফুল বীজের উত্পাদনের জন্য রাখা হয়।

