জবানবন্দি দিলেন সেই ঢাবি শিক্ষার্থী

জবানবন্দি দিলেন সেই ঢাবি শিক্ষার্থী

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১০ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ২২ঃ১০

রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সেই শিক্ষার্থী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক আবু সিদ্দিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর ভিকটিমকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়ার আদেশ দেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) ধর্ষক মজনুর সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তার আগে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে মামলাটির এজাহার আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা এজাহারটি গ্রহণ করে ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামানকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলাটি তদন্তের জন্য সোমবার (৬ জানুয়ারি) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। এর আগে ওইদিন সকালে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ওই ঢাবি শিক্ষার্থী শেওড়া এলাকায় তার বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে রওনা দেয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসটি ক্যান্টনমেন্ট থানার কুর্মিটোলা বাস স্ট্যান্ডে থামে। শিক্ষার্থী বাস থেকে নেমে ফুটপাত দিয়ে শেওড়ার দিকে হাঁটতে থাকেন। তিনি আর্মি গলফ ক্লাব মাঠের কাছে পৌঁছলে পেছন দিক থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তার গলা ও মুখ চেপে ধরে। এতে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে পাঁজা কোলে করে তুলে পাশের ঝোঁপে নিয়ে যায়। এরপর ধর্ষক মেয়েটিকে কয়েকবার ধর্ষণ করে।’

এজাহারে আরও বলা হয়, ওই শিক্ষার্থীর জ্ঞান ফিরলে আসামি তাকে মারধর করে এবং ভয়-ভীতি দেখায়। তার কাছে বিভিন্ন কথা জিজ্ঞাসা করে। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি, নগদ টাকা ও ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে রাস্তা পেরিয়ে রিকশা নিয়ে তার সহপাঠীর বাসায় যায়। সেখান থেকে সহপাঠীদের সহযোগিতায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বুধবার ছাড়া পেয়ে বাসায় যান ওই ছাত্রী।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading