কুমিল্লা লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান

কুমিল্লা লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১৩ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৮ঃ১০

কুমিল্লা লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান। সরকারিভাবে বিরল প্রজাতির গাছের বীজ সংরক্ষণসহ-গবেষণার জন্য তৈরি করা হয়েছে উদ্ভিদ উদ্যানটি। এ উদ্ভিদ উদ্যানটি এখন গবেষণা-দর্শনার্থীদের বিনোদনের খোরাক হয়ে উঠেছে। সূত্র মতে, ঢাকার মিরপুর ও চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের পর কুমিল্লার লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান দেশের তৃতীয় বিরল উদ্ভিদ উদ্যান। ২০১৫ সালে কাজ শুরু হয়ে চলতি বছর এটির কাজ শেষ হয়। ১৭ একর আয়তনের লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৭কোটি টাকা। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীর আবাস্থল তৈরি, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, বিনোদনের ব্যবস্থা ও স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কুমিল্লা নগরীর কোটবাড়ি সালমানপুরে অবস্থিত ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু হয়েছে লালমাই উদ্ভিদ উদ্যানটি। নির্মাণের উদ্দেশ্য উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা ও প্রকৃতি প্রেমীদের বিনোদনের ব্যবস্থা করা। লালমাই উদ্ভিদ উদ্যানে ঘুরতে আসা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী বর্না-শারমিন ও পারভেজ জানান, উদ্ভিদ উদ্যানটি দেখে ভালোই লেগেছে। তবে আরো বৃহৎ পরিসরে হলে ভালো হতো। তবে উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণার জন্য আরো বেশী গবেষণাগার এবং বাগানের পরিধি আরো বড় করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেরুন্নেচ্ছা। তিনি আরো বলেন, অবশ্যই গবেষণার পাশাপাশি বুক ভরে সতেজ নি:শ্বাস নিতে এ উদ্ভিদ উদ্যানটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। জানা যায়, লালমাই উদ্ভিদ উদ্যানের গবেষণাগারে অলোক, অশ্বথ, আগর, কাঠ বাদাম, কাঞ্চন, খাট জারুল, গোলাপ জাম, গুটগুটিয়া, চন্দুল, চালমাগুরা, চাপালিশ, চিকরাশি, ছাতিয়ান, তুন, টগর, ডেফল, ডাকিজাম, তমাল, তেলশুড়, ধুপ, নাগালিঙ্গম, পিতরাশ, বনপেয়ারা, বকুল, বাঁশপাতা, বাসক, বান্দরহলা, বৌদ্ধনারকেল, বৈলাম, মহুয়া, রক্তচন্দন, রাধাচূড়া, লটকন, লোহাকাঠ, সফেদা, সজিনা, সাতকড়া, সিভিট, হরিতকি, হিজলসহ ৭৭ প্রকার বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে উদ্যানে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading