ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যে দইয়ের ব্যবহার
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ২৭ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৮ঃ১০
টক দই খুব সহজ প্রাপ্য একটি উপাদান। ত্বকের যত্নে এটি নানাভাবে ব্যবহার করা যায়। টক দইয়ে এমন কিছু উপাদান আছে, যেগুলো ত্বকের যত্নে খুব ভালো উপকার দেয়। এতে থাকা ল্যাকটিক এসিড ত্বক উজ্জ্বল করে ও ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করে। যাঁরা ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের জন্যও উপকারী টক দই। শুধু ব্রণ নয়, চুলের সৌন্দর্যেও দারুণ কার্যকর টক দই।
চুলের রুক্ষতা দূর করতে: রুক্ষ চুলের জন্য দই বিশেষ সহায়ক হতে পারে। ক্রাঞ্চি বেটি ডটকমের প্রতিবেদনে চুলের রুক্ষতা দূর করতে দই, কোকোয়া পাউডার ও মধু একত্রে ব্যবহার করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এক কাপ সাধারণ দই, দুই টেবিল চামচ কোকোয়া পাউডার ও দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে পারেন। এ মাস্ক চুলে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
প্রাকৃতিক হেয়ার ডাই হিসেবে: ব্লিচের ব্যবহার ছাড়াই চুলকে হাইলাইটস করা বা রঙে ভিন্নতা আনার অন্যতম প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে লেবুর রস ও দইয়ের মিশ্রণ। এক কাপ দইয়ে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলে প্রয়োগ করে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। আপনার চুলে সফট ও গোল্ডেন হাইলাইটস আসবে।
পায়ের যত্ন নিতে: আমাদের শরীরের অন্যতম অবহেলিত স্থান হচ্ছে পা। আর নয় অবহেলা, পায়ের যত্ন নিতে ইউ বিউটি ডটকমের প্রতিবেদনে দই ও আখরোট বাদাম ব্যবহার করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। দই ও আখরোট বাদামের প্রাকৃতিক স্ক্রাবে পা কোমল ও মসৃণ হয়। অর্ধকাপ আখরোট বাদামকে গুঁড়া করে এককাপ দইয়ে মিশিয়ে আপনার পা স্ক্রাব করে ধুয়ে ফেলুন।
ব্রণের চিকিৎসা হিসেবে: প্রদাহিত ব্রণ প্রশমিত করতে দই সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। আপনি সরাসরি ব্রণের স্থানে দই লাগাতে পারেন অথবা খেতেও পারেন। প্রদাহরোধী প্রতিক্রিয়া বাড়াতে চাইলে আপনার দইয়ে ১/৪ চা-চামচ হলুদ মেশাতে পারেন।
স্কিন টোনার হিসেবে: সাধারণ দই আপনার জন্য চমৎকার স্কিন টোনার হতে পারে। আপনার ত্বকে বিবর্ণতা, রোদে পোড়া দাগ অথবা ব্রণের দাগ থাকলে দই ব্যবহার করে কমাতে পারেন। স্কিন টোনার তৈরি করতে তিন টেবিল চামচ দইয়ে এক চা-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এরপর আপনার মুখমণ্ডলে প্রয়োগ করে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

