ঢাকাবাসীর প্রতি ফখরুলের আহ্বান: ভোটকেন্দ্রে আসুন
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ৩০ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৮:৩৪
ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাবাসীকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত ‘ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে’ ঢাকাবাসীকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আসুন আমরা সব অন্যায়, অবিচার, সন্ত্রাস ও ত্রাস সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ গড়ে তুলি। ১ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আমাদের মতামত প্রদান করি। নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা মহানগরী গড়ে তুলি। অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করি।’ বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ঢাকাবাসীর কাছে আমাদের উদাত্ত আহ্বান-আপনারা আপনাদের সংবিধানসম্মত অধিকার রক্ষার জন্য, যা আপনারা ১৯৭১ সালে একটি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জন করেছেন- তাকে রক্ষার জন্য ভোটকেন্দ্রে যেয়ে ভোট প্রদান করুন। আপনাদের নিজস্ব অধিকারকে নিশ্চিত করুন। এটা আমাদের সবার দায়িত্ব।’ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘আমরা একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতা এবং উদাসীনতায় ও সরকারের নির্দেশে কাজ করার কারণে এই নির্বাচনও দলীয়করণ করা হয়েছে-যা ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে।’ হাজারও নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। হাজারও মানুষ দখলদার সরকারের বিরুদ্ধে তাদের রায় প্রদান করার জন্য যখন বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে, তখনই নিয়ন্ত্রিত পুলিশ বাহিনী দিয়ে মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার করে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।’ বিএনপির মহাসচিবের দাবি, ‘আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, ধানের শীষের প্রার্থীদের পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে- তাকে রোধ করার শক্তি কারো নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

