বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৭ খাদ্যপণ্য নিষিদ্ধ: বিএসটিআই
উত্তরদক্ষিণ ২৬ এপ্রিল ২০২০ । ১২:৫০
নিম্ন মানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্রান্ডের ১৭টি পণ্য নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সরকারি সংস্থাটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো য়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের বিক্রি ও বিপণন বন্ধ থাকবে বলেও শনিবার (২৫ এপ্রিল) ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিএসটিআই।
পণ্যগুলোর মধ্যে আছে, চট্টগ্রামের কল্পনা কমোডিটিস কোম্পানির এপি-১ ব্র্যান্ডের ঘি, চট্টগ্রামের চিটাগাং ফ্লাওয়ার মিলস-এর এ্যাংকর ব্র্যান্ডের সুজি, যশোরের আল আমিন বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারির আল আমিন ব্র্যান্ডের লজেন্স, ঢাকার মি. বেকার অ্যান্ড পেস্ট্রি শপের মি. বেকার ব্র্যান্ডের বিস্কুট, ফরিদপুরের সেফ ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবা ব্র্যান্ডের চিপস (পটেটো), কক্সবাজারের রিয়াদ সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বঙ্গ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, রাজশাহী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের আর এম ব্র্যান্ডের ঘি, বগুড়ার জিনিয়াস সেফ ফুড অ্যান্ড কনজ্যুমারের জিনিয়াস স্পেশাল ব্র্যান্ডের ঘি, সয়াবিন তেল ও হলুদের গুড়া; বগুড়ার সীমা ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের সীমা ব্র্যান্ডের সুজি, গাজীপুরের জি এম ফুড প্রোডাক্ট-এর এবি-১ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল ও রাজা ব্র্যান্ডের ঘি, গাজীপুরের শাহ ইন্টারন্যাশনাল ফুড প্রোডাক্ট এর নুরজাহান ব্র্যান্ডের বাটার, শরীয়তপুরের মাদার ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্ট এর বেস্ট-১ ব্র্যান্ডের ঘি, মৌলভীবাজারের শাহী ফুড প্রোডাক্ট-এর শমসের নগর শাহী ব্র্যান্ডের ঘি এবং একটি নাম ঠিকানা বিহীন ড্রামের খোলা সয়াবিন তেল।
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, রমজান উপলক্ষে গত ২ মাসে এ বছর বাজার থেকে ৫২১টি পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করেছে বিএসটিআই। এর মধ্যে ২৫৩টি পণ্যের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে মানসম্মত পণ্য ছিল ২৩৬টি। বাকি ১৭ পণ্য ছিল নিম্মমানের। এছাড়া আরও ২৬৮টি পণ্যের নমুনা পরীক্ষাধীন রয়েছে।

