জাফরুল্লাহ’র অভিযোগ: জবাবে যা বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি
উত্তরদক্ষিণ ২৭ এপ্রিল ২০২০ । ১৬:১৫
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পৃথিবীর কোনো দেশে র্যাপিড টেস্টের অনুমতি না দেয়ায় বাংলাদেশ এখনো তা ব্যবহার করছে না। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অসত্য তথ্য উপস্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ওষুধ প্রশাসনকে হেয় করায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমালোচনা করেন সংস্থাটির মহাপরিচালক।
রোববার বিকেলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংবাদ সম্মেলনের পর সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, কিট তৈরিতে সব ধরনের সহযোগিতার পরও স্বাস্থ্য বিভাগ ও ওষুধ প্রশাসনকে হেয় করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, অসত্য তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠান ও মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এটা অত্যান্ত দুঃখজনক।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পৃথিবীর কোনও দেশকে র্যাপিড টেস্টের অনুমোদন দেয়নি। বাংলাদেশ এখন অনুমতি না দিলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন পড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে রোববার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দাবি করেন, নমুনা কিট নিয়ে গেলেও তা গ্রহণ করেনি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। অভিযোগ করেন, ব্যবসায়িক স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে টেস্টিং কিট অনুমোদনের ক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে ওই অভিযোগ অস্বীকার করেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি। তিনি জানান, রোববার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে দেয়া চিঠিতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সব ধাপ সম্পন্ন করে টেস্টিং কিট জমা দিতে বলে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

