চলতি মাসে ফিরছেন ৩০ হাজার প্রবাসী!
উত্তরদক্ষিণ শনিবার ০৯ মে ২০২০। ১০:০০
প্রায় প্রতিদিনই প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসছেন। ইন্ডিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কা থেকে শুরু করে চীন, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, তুরস্ক, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসছেন আটকে পড়া বাংলাদেশিরা। আবার মধ্যপ্রাচ্য ও মালদ্বীপ থেকেও প্রবাসী শ্রমিকরা ফিরছেন। এ মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩০ হাজার ফেরত আসার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই গোটা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয় জড়িত এবং বিষয়টি বহুমাত্রিক এবং কয়েকটি স্তরে বিভক্ত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।
প্রত্যাবাসনের এই গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘বিষয়টি কয়েকটি স্তরে হচ্ছে এবং সরকার নিজের খরচে প্রত্যাবাসন করছে না।’ সচিব বলেন, ‘কয়েকটি দেশে কিছু বাংলাদেশি আটকা পড়ে আছেন এবং সেখানে কমিউনিটির মাধ্যমে তারা ফেরত আসার উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাস তাদের সব ধরনের সহায়তা দিয়েছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার সঙ্গে আলাপ করে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সহজ করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যারা আসছেন তারা নিজ খরচে আসছেন।’ তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে যারা অবস্থান করছিলেন, তাদের ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে বিশেষ ফ্লাইটে সরকার পাঠিয়ে দিচ্ছে নিজেদের খরচে।’
মধ্যপ্রাচ্য সমস্যা
মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি তেলনির্ভর এবং বর্তমানে এ প্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম শূন্যের কোঠায়। এরফলে ওই অঞ্চলে বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা কমছে। এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই, সেখান থেকে শ্রমিকরা ফেরত আসছেন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অনেকে চাকরি হারিয়েছেন এবং তারা যেসব কোম্পানিতে কাজ করতো তারা উদ্যোগ নিয়ে বিশেষ ফ্লাইটে তাদের পাঠিয়ে দিচ্ছে।’
বাংলাদেশের কাছে যখন ফেরত পাঠানোর অনুরোধ আসে তখন স্থানীয় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা বিবেচনা করে তাদের ফেরত আসার অনুমতি দেওয়া হয় বলেও জানান পররাষ্ট্র সচিব। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়টি পরিষ্কার না। সেখানকার অর্থনীতি তেলনির্ভর। আগামীতে তেলের দাম যদি ৫০ বা ৬০ ডলারে যায় তবে গোটা চিত্রটা অন্যরকম হয়ে যাবে। কিন্তু ২০ বা ৩০ ডলারে থেমে থাকলে ফেরত আসার সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে।’ তথ্য সহায়তা বাংলাট্রিবিউন।

