সাংবাদিক ফখরে আলমের মৃত্যু, তথ্যমন্ত্রীর শোক
উত্তরদক্ষিণ বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২০। ১৮:২০
দৈনিক কালের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি, কবি ও সাহিত্যিক ফখরে আলম মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইরি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
ফখরে আলম বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে তার নিজ শহর যশোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তিনি মা, স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।
ফখরে আলমের দীর্ঘ ও অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতার জীবন ও কাব্যপ্রতিভাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি প্রয়াতের আত্মার শান্তিকামনা করেন ও তার শোকাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
জানা গেছে, প্রথিতযশা সাংবাদিক ফখরে আলম (৫৯) বৃহস্পতিবার সকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, তিনি হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন ফখরে আলম। ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর একপর্যায়ে তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান। বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্ডিয়ার বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। ১৯৮৫ সালে সাপ্তাহিক রোববারের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন তিনি। পরে তিনি আজকের কাগজ, মানবজমিন, জনকণ্ঠ, আমাদের সময়, যায়যায় দিন, ভোরের কাগজ, বাংলা বাজার পত্রিকায় কাজ করেছেন।
সাংবাদিকতা জীবনে তিনি মোনাজাত উদ্দিন স্মৃতি পুরস্কার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বজলুর রহমান স্মৃতিপদক, এফপিএবি পুরস্কার, মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার, এফইজেবি পুরস্কার, টিআইবির অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কারসহ নানা পদক, পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
কবি হিসেবেও ফখরে আলমের ব্যাপক পরিচিতি ছিল। এক সময় যশোর সাহিত্য পরিষদেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। কবিতা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ প্রভৃতি বিষয়ে ফখরে আলম ৩৪টি বই লিখেছেন।

