করোনা কালে র্যাবের বিশেষ উদ্যোগ
উত্তরদক্ষিণ : সোমবার ০৮ জুন ২০২০ । ১৬:২৫
বাহিনীর আক্রান্ত সদস্যদের আপডেট জানতে একটি অ্যাপস তৈরি, কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করে আমরা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী হাসপাতাল, করোনায় মারা যাওয়া চার সাংবাদিকের পরিবারকে অর্থ সহায়তা সহ বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে র্যাব।
করোনা মহামারির সময়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব)-এর নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে র্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, আমরা স্বাভাবিক সময়ে যেসব কার্যক্রম করে থাকি করোনাকালেও তা করছি। আমাদের বাহিনীর সদস্যরা এই সময়ে মাদক, জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ক্রমাগতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি মানবিক ও সেবামূলক কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
সোমবার (৮ জুন) র্যাবের নিজস্ব একটি অ্যাপস উদ্বোধন ও করোনায় মারা যাওয়া চার সাংবাদিকের পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক পরিবারগুলোকে অর্থসহায়তার বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, এই ৪ সাংবাদিক পরিবারের মত কেউ আর এভাবে স্বজন হারাক তা আমরা চাই না। আমাদের যাতে এমন অনুষ্ঠান আর করতে না হয় সেটাই চাই। আমরা অন্য কোনও অনুষ্ঠান করে মিলিত হবো। এমন অনুষ্ঠান করতে চাই না। আমরা সাংবাদিকদের পাশে থাকবো।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়শেন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব)-কে দুটি অত্যাধুনিক অক্সিজেন কনসেন্টেটর উপহার দেয় র্যাব। যাতে করোনা আক্রান্ত ক্রাইম রিপোর্টাররা প্রয়োজনের সময় দ্রুত অক্সিজেন পায়।
ক্রাইম রিপোর্টারদের জন্য মেডিক্যাল সামগ্রী উপহার দেয়ায় র্যাবকে ধন্যবাদ জানান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ক্রাবের সভাপতি আবুল খায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের বাহিনীর আক্রান্ত সদস্যদের আপডেট জানতে একটি অ্যাপস তৈরি করেছে। র্যাবে কর্মরত কোন বাহিনীর কতজন সদস্য আক্রান্ত তা অ্যাপসের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক চৌধুরী মামুন বলেন, লিবিয়ায় যে ঘটনাটি (২৬ হাংলাদেশিকে হত্যা) ঘটেছে সেটা খুবই মর্মান্তিক। আমরা ইতোমধ্যে এর মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে। আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। এই মুহূর্তেও আমাদের অভিযান চলছে।
র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার বলেন, ‘আমরা করোনা চিকিৎসায় একটি মডেল করার চেষ্টা করেছি। হাসপাতালে যেন চাপ না বাড়ে সেজন্য কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। দেশের কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করে আমরা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী হাসপাতাল করেছি। সেখানে রোগীরা ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। সেখানে অক্সিজেনসহ সব ধরনের মেডিকেল ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. ক. সারোয়ার বিন কাশেম সহ উর্ধত্মন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

