করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে বাংলাদেশ আগেভাগেই পাবে : চীনা দূতাবাস

করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে বাংলাদেশ আগেভাগেই পাবে : চীনা দূতাবাস
বাংলাদেশ চীন পতাকা

উত্তরদক্ষিণ । ২২ জুন ২০২০ । আপডেট : মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২০ । ০৮:৪১

চীনে করোনা প্রতিরোধক ভ্যাকসিন তৈরি হলে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে জানিয়ে ঢাকার চীনা দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সেলর এবং ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান বলেছেন, ‘নিকট প্রতিবেশী ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীনের কাছ থেকে যেসব দেশ প্রথমেই এই ভ্যাকসিন পাবে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশও থাকবে।’

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের এই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক সংবাদ সংস্থা বাসসকে জানান, তাদের গবেষকরা এই ভাইরাস প্রতিরোধক ভ্যাকসিন আবিষ্কারে বহুদূর এগিয়ে গেছেন। বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশও এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দরিদ্র দেশগুলোতে এই ভ্যাকসিন সহজে পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

করোনা (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন । প্রতিকী ছবি

এমন পরিস্থিতিতে ঢাকার চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান বাংলাদেশকে পুনরায় আশ্বস্ত করে বলেন, চীনে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরী হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে আগেভাগে হস্তান্তর করা হবে।

চাইনীজ একাডেমি অব মেডিকেল সাইন্সেস এর একটি ইনস্টিটিউট মানবদেহে করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাত্রা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরীক্ষামূলকদ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে উল্লেখ করার কয়েক ঘন্টা পর তিনি বাংলাদেশকে এ আশ্বাস দেন।

চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ মাধ্যম সিনহুয়া জানায়, ‘চাইনিজ একাডেমি অব মেডিকেল সাইন্সেস এর অধীনস্ত ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলোজিএই ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে।’

ইয়ান রোববার এখানে সফররত চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশী কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের অনলাইন ব্রিফিংকালে একথা বলেন।

সিনহুয়ার প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এই ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিন গবেষণার ক্ষেত্রে যথেষ্ঠ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি পোলিওর মতো মারাত্মক রোগের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন ও প্রস্তুত করেছে। তাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন হাজার হাজার চীনা শিশুকে পোলিও থেকে নিরাপদ রেখেছে।

চীনের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাইনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড নভেম্বরের আগেই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের শেষ ধাপ সম্পন্ন করতে পারবে বলে ঘোষণা করার দুই দিন পরেই একথা জানানো হল।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশ কয়েকটি কোম্পানি করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা প্রতিষেধকটি আবিষ্কারের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এদিকে চীনা গবেষক ও ওষুধ প্রস্তুতকারীরা এক্ষেত্রে অনেকদূর এগিয়ে রয়েছে।

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলছে, এখন পর্যন্ত তারা পাঁচটিপ্রতিষ্ঠানকে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে।

SekFaruk

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading