দিনে এক লাখ নমুনা সনাক্ত করার ব্যবস্থা করতে হতে পারে : ডিজি হেলথ
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার ২৪ জুন ২০২০ । আপডেট ১০:৪০
সীমিত সংখ্যক হাইটেক পিসিআর ল্যাব করোনা সনাক্তকরণে নমুনা পরীক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে কুলিয়ে উঠতে না পারায় সরকার আগামী মাস থেকে কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) আক্রান্ত রোগী সনাক্তকরণে কয়েকটি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা করছে।
বিষয়টি জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা: আবুল কালাম আজাদ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
এসময় তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে যে, দিনে এক লাখ নমুনা সনাক্ত করার ব্যবস্থা করতে হতে পারে।’ এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডিজি হেলথ বলেন, ‘আমরা ক্রমান্বয়ে করোনা সনাক্ত করার পরীক্ষার স্থান ও পরিধি বাড়াচ্ছি, কিন্তু তা ‘পর্যাপ্ত’ নয়। তাই দেশব্যাপী করোনা সনাক্তকরণে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে আমরা কয়েকটি পদ্ধতিতে পরীক্ষা চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আরো বলেন, নতুন এই উদ্যোগ পিসিআর ল্যাবগুলোর ওপর চাপ হ্রাসের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনীয় করোনা সনাক্তে নমুনা পরীক্ষার পথও প্রশস্ত করবে। বর্তমানে শুধুমাত্র এই একটি পদ্ধতিতেই করোনা সনাক্তের পরীক্ষা করা হচ্ছে। ‘পরীক্ষার স্থান ও পদ্ধতি বাড়ানোর কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে’ বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আগামী মাস থেকে এন্টিজেন, নিউক্লিক এসিড এবং এন্টিবডি ‘ড্রাই অ্যান্ড ওয়েট’ পরীক্ষাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘এন্টিজেন’ হচ্ছে কোভিড-১৯ এর একটি উন্নত সনাক্তকরণ পরীক্ষা পদ্ধতি যা পিসিআর ল্যাব সুবিধা ছাড়াই সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেয়।
এন্টিজেন ও নিউক্লিক এসিড পরীক্ষা পদ্ধতি পিসিআর ল্যাব পরীক্ষার চেয়ে কম সময়ে ফল দিতে সক্ষম। এতে লালা বা রক্ত অন্য ধরনের যন্ত্রে পরীক্ষা করা হয়। তবে এন্টিজেন পরীক্ষা অপেক্ষাকৃত ব্যয়বহুল। সূত্র – বাসস।

