করোনায় আক্রান্ত রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ‘এখন পুরো বিশ্রামে’
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার ২৬ জুন ২০২০ । আপডেট ১৯:২০
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর দুই সপ্তাহ ধরে বাসায় কোয়ারেন্টিনের মধ্যেই ভার্চুয়াল ক্লাস ও সংগীত চর্চা চালু রাখলেও উপসর্গ বাড়তে থাকায় তা বন্ধ রেখেছেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। শরীরে ব্যথা ও দুর্বলতা বোধসহ কোভিড-১৯ এর উপসর্গ বাড়তে থাকায় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) থেকে তিনি পুরোপুরি বিশ্রামে রয়েছেন বলে তার বড় বোন ফারিহা আনোয়ার জানান।
শুক্রবার (২৬ জুন) ফারিহা আনোয়ার বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শে ও তত্ত্বাবধানে বাসাতেই তার চিকিৎসা চলছে। দুই সপ্তাহ আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ার পর শারীরিক কোনো জটিলতা ছিল না ৬৩ বছর বয়সী এ সংগীতশিল্পীর। গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় টেস্টের জন্য তার নমুনা সংগ্রহের কথা থাকলেও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় এক সপ্তাহ পেছানো হয়েছে বলে জানান ফারিহা।
বন্যার কোভিড-১৯ সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকেই তার দেখভালের দায়িত্বে আছেন বোন ফারিহা। তিনি আরও বলেন, বন্যার আক্রান্ত হওয়ার খবরে অনেকেই তার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। আপাতত বিশ্রামে থাকায় কারো সঙ্গে কথা বলতে পারছে না। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারপারসন বন্যা রবীন্দ্রসংগীতের জন্য দেশে-বিদেশে খ্যাতি পেলেও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তনও গেয়েছেন। ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুর জেলায় জন্ম নেওয়া বন্যা প্রথমে ছায়ানট এবং পরে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। সেখানে শান্তিদেব ঘোষ, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন ও আশীষ বন্দ্যোপাধায়ের মত সংগীতজ্ঞদের সান্নিধ্যে আসেন তিনি।
সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারার’ প্রতিষ্ঠাতা বন্যা রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন। সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা। সূত্র: বিডিনিউজ।

