বাজেটের থোক বরাদ্দ: মনিটরিংয়ের দাবি জাপা চেয়ারম্যানের
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার ২৯ জুন ২০২০। আপডেট ১৯:০০
বাজেটে থোক বরাদ্দ দেওয়া খাতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সমন্বয় কমিটি গঠনের দাবি করেছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের থাকা-খাওয়ায় অস্বাভাবিক ব্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, ‘বাজেটের অগ্রাধিকার খাতের বরাদ্দ পর্যাপ্ত হয়নি। হয়তো সেই বরাদ্দ পর্যাপ্ত করার জন্য থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে থোক বরাদ্দের ব্যাপারে যথার্থতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ সংক্রান্ত একটি মনিটরিং টিম বা সমন্বয় কমিটি গঠন করলে তারা বিষয়গুলো মনিটর করতে পারবে।’
সোমবার (২৯ জুন) সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া থোক বরাদ্দ দিলে সাধারণত অ্যাডহক বেসিসে যখন যেখানে দরকার তখন সেখানে খরচ করার একটি প্রবণতা থাকে মন্তব্য করে জিএম কাদের বলেন, ‘কত দরকার, কী দরকার- সেটা কে নির্ধারণ করবে? এগুলোর ব্যাপারে সঠিক নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। ঢামেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের খরচ ২০ কোটির মতো হয়েছে। খাবার খরচই হয়েছে প্রায় অর্ধেক। কতটুকু প্রয়োজন ছিল, কতটুকু অপচয় হয়েছে, কতটুকু দুর্নীতি হয়েছে– এখন পর্যন্ত জানি না।’
বাজেট প্রস্তাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখার সমালোচনা করে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ শুল্ক আয় বৃদ্ধির বড় ধরনের একটি পদক্ষেপ, আমরা মনে করছি ডেসপারেট মুভ। প্রায় সব মহল থেকে প্রতিবাদ আসছে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে যেটা দেখা যায়, এতে খুব বেশি লাভ হয় না।’
প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘বিশাল ঘাটতির’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি। ঘাটতি কমাতে হলে ব্যয় কমাতে হবে। আয় বাড়াতে হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য অচল। প্রাক্কলনের চেয়ে অনেক কম রাজস্ব আদায়ের আশঙ্কা রয়েছে। ট্যাক্স কোথা থেকে আসবে। বড় ধরনের ঘাটতি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।’

