করোনায় রাজশাহীতে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার ০১ জুলাই ২০২০। আপডেট ২০:০০
রাজশাহীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবুল কালামের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (০১ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে তিনি মারা যান। হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
রাজশাহী’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানান, এএসআই আবুল কালাম জেলা জজ আদালতে কর্মরত ছিলেন। করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় গত ২২ জুন তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে রেখে তার চিকিৎসা চলছিলো। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এএসআই আবুল কালামের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার শেরপুর উপজেলায়। তিনি স্ত্রী ও ৬ বছর ও ৬ মাস বয়সে ২ সন্তান নিয়ে রাজশাহী মহানগরীর তেরোখাদিয়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন। তার মৃত্যুতে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) একেএম হাফিজ আক্তার ও জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ হেডকোয়াটার্সের সূত্রমতে, বাংলাদেশ পুলিশের এ পর্যন্ত মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। আর কভিড-১৯ আক্রান্ত পুলিশের সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার।
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
এদিকে, রাজশাহীতে বুধবার দুপুরে করোনার উপসর্গ নিয়ে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা মীর শওকত আলীর (৬৩) মৃত্যু হয়েছে। তিনি অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি অবসরে যান। রাজশাহী মহানগরীর হোসনিগঞ্জ এলাকায় তার বাড়ি। রামেক হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে তিনি মারা যান।
উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার সকাল ১০টার দিকে মীর শওকত আলীকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এরপর তাকে করোনার সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য নির্ধারিত ওয়ার্ডে রাখা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।

