রিজেন্ট হাসপাতালের ৭ কর্মকর্তা ৫ দিনের রিমান্ডে
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০ । আপডেট ১৮:১৫
রিজেন্ট হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই করোনা সংক্রান্ত জাল সনদ প্রদানসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ওই হাসপাতালের ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— হাসপাতালের অ্যাডমিন অফিসার আহসান হাবীব (৪৫), এক্সরে টেকনিশিয়ান হাসান (৪৯), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হাকিম আলী (২৫), রিজেন্ট গ্রুপের প্রজেক্ট অ্যাডমিন রাকিবুল ইসলাম (৩৯), রিজেন্ট গ্রুপের এইচআর অ্যাডমিন অমিত অনিক (৩৩), গাড়িচালক আব্দুস সালাম (২৫) ও আব্দুর রশীদ খান জুয়েল (২৮)।

আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) পুলিশের উপ-পরিদর্শক শেখ রকিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার উত্তরা পশ্চিম থানার একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর গাজী আসামিদের আদালতে হাজির করেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তে প্রয়োজনে আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের প্রত্যেককে ৫ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান, মামলার আসামিরা হলেন— প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদ (৪৩), হাসপাতালের অ্যাডমিন অফিসার আহসান হাবীব (৪৫), এক্সরে টেকনিশিয়ান হাসান (৪৯), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হাকিম আলী (২৫), রিসিপশনিস্ট কামরুল ইসলাম (৩৫), রিজেন্ট গ্রুপের প্রজেক্ট অ্যাডমিন রাকিবুল ইসলাম (৩৯), রিজেন্ট গ্রুপের এইচআর অ্যাডমিন অমিত অনিক (৩৩), গাড়ি চালক আব্দুস সালাম (২৫), এক্সিকিউটিভ অফিসার আব্দুর রশীদ খান জুয়েল (২৮),ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজ (৪০), হাসপাতাল কর্মচারী তরিকুল ইসলাম (৩৩), স্টাফ আব্দুর রশিদ খান (২৯), স্টাফ শিমুল পারভেজ (২৫), কর্মচারী দীপায়ন বসু (৩২) এবং মাহবুব (৩৮)। অপর দু’জনের নাম জানা যায়নি।
করোনা টেস্ট না করে রোগীদের জাল রিপোর্ট দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের ওই ১৭ জনের বিরুদ্ধে র্যাব মামলা করে। প্রতারণা ও অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।’

