পুলিশ’কে করোনা মোকাবিলার সরঞ্জাম দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০। আপডেট ১৯:০০
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস কোভিড-১৯ মোকাবিলায় অব্যাহত সহায়তার অংশ হিসেবে পুলিশ বাহিনীকে অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) প্রদান করেছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমদের সাথে দেখা করে রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার গত ৮ জুলাই তা হস্তান্তর করেন করেন। এতে সহযোগিতা করেছে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের দূতাবাস। পিপিই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন মিলারের সঙ্গে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দূতাবাস থেকে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এটি মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে পিপিই সহায়তা দেয়ার পরিকল্পিত কার্যক্রমের চতুর্থ অনুদান। এ পর্যন্ত আমেরিকা শুধু স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ইউএসএআইডি’র মাধ্যমেই কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৪৩.৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে। এছাড়াও ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স, ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার ও সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন’ এর মাধ্যমেও সাহায্য ও কারিগরি সহায়তা দেয়া হচ্ছে বন্ধু রাষ্ট্র বাংলাদেশকে।

জানা গেছে, দূতাবাসের পক্ষ থেকে পুলিশকে যে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামগুলো হস্তান্তর করেছে তার মধ্যে রয়েছে- ৪০০০ কেএন৯৫ সার্জিক্যাল মাস্ক, ২০০ মিলিলিটারের ৩২০০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ৪০০০ জোড়া সার্জিক্যাল গ্লাভস, ৫৫০ পাউন্ড গুড়া ব্লিচ, ২২টি জীবাণুনাশক ব্যাকপ্যাক স্প্রেয়ারস, ৭০০টি মুখমন্ডল ঢাকার শিল্ড, এবং ২৫টি ইনফ্রারেড থার্মোমিটার ; সবগুলো উপকরণ স্থানীয়ভাবে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কেনা হয়েছে।
এ বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে প্রথমসারির যোদ্ধা হিসেবে দেশব্যাপী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোভিড-১৯ মোকাবিলা কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দূতাবাসের দেয়া পিপিই পুলিশ বিভাগের সদস্যদের নিজেদের সুরক্ষিত রেখে বাংলাদেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে সহায়তা করবে বলে তাদের বিশ্বাস। একই সঙ্গে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, এই মহামারি মোকাবিলায় আমেরিকা- বাংলাদেশের পাশে থেকে কাজ করতে ও দুই দেশের মধ্যকার গভীর সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ তারা।

