রাজধানীতে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০ । আপডেট ১৭:৪০
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজধানীতে পশুর হাট বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রবিবার (১২ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু এ তথ্য জানান। অপুর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় এ বিষয়ে আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য একটি গাইডলাইন তৈরি করছে। গাইডলাইন বাস্তবায়নের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। রাজধানীর বাইরে পশুর হাট বসানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা নেবে। তবে এবছর অনলাইন কেনাকাটার ওপর গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
ইজারাদারদের ব্যবস্থায় পশুর হাটের প্রবেশপথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। ক্রেতাদের মাস্ক পরিধান করে হাটে প্রবেশ করতে হবে। হাটের কাছে ব্যাংক বুথ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবার রাস্তাঘাটের ওপর পশুর হাট বসানো যাবে না। পশুবাহী ট্রাক কোন হাটে যাবে ট্রাকের সামনে এরকম একটি ব্যানার লেখা থাকতে হবে। পশুর ট্রাক অন্য কোথাও থামানো যাবে না। পশুবাহী কোনও গাড়ি রাস্তায় থামানো যাবে না। নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবারের মতো জাল নোট, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান ও মলম পার্টি থেকে ক্রেতা বিক্রেতাকে নিরাপত্তা দেবে।
নদীপথে ফেরি, লঞ্চ ও জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করলে কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে। নদীপথে প্রবাহিত ট্রলার যাতে অতিরিক্ত বোঝাই না হয়, সেদিকে কোস্ট-গার্ড ও পুলিশ নজরদারি করবে। পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ ও যথাযথ বিপণনের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি অন্যান্য বারের চেয়ে কম সময়ের জন্য বন্ধ রাখা যেতে পারে। শ্রমিকদের বেতন-বোনাস যথাসময়ে পরিশোধে বিজিএমইএ এবং কারখানার মালিকরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এবারের ঈদুল আজহার জামাত মসজিদে আদায়ের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সেই অনুযায়ী সকলকে ঈদের জামাত স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

