ডা. সাবরিনার “ফেসভ্যালু”-ই ছিল পুঁজি!
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০ । আপডেট: ১৯:০০
জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ও বরখাস্তকৃত কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আদায়ের ক্ষেত্রে তার সৌন্দর্য ও ফেসভ্যালুকে পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এমন তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন জানিয়েছেন, ‘ফেসভ্যালু ক্যাপিটালাইজ’ করে সুবিধা নিয়েছে। মামলার তদন্ত ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য দিয়েছেন তিনি।
ডিবি কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘ডা. সাবরিনা তার ফেসভেল্যুটাকে ক্যাপিটালাইজড করেছে। চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ বিভিন্ন জায়গায় যে তার পরিচিতি রয়েছে- সেটা দিয়েই সে প্রতারণা করেছে। করোনার এই সময়ে সে একটি প্রজেক্ট তৈরি করেছে। তারা যে প্রজেক্ট অনুযায়ী করোনাভাইরাস আক্রান্তদের কাছ থেকে যেভাবে নমুনা সংগ্রহ ও সেবা দেওয়ার কথা ছিল, তারা সেভাবে দেয়নি। এই তদন্তের প্রথম দিকে রয়েছে, আমরা তদন্ত করে যদি ক্রিমিনাল অফেন্স পাই সে বিষয়ে ক্রিমিনাল রেকর্ডে নিয়ে আসবো। আর যেগুলো বিভাগীয় অপরাধ ও অনিয়ম সেগুলো আমরা লিখিত অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয় জানাবো।’
ডা. সাবরিনা নিশ্চয়ই কোনও না কোনও জায়গায় সহযোগিতা পেয়েছে উল্লেখ করে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘আমাদের তদন্তের জন্য যারা সংশ্লিষ্ট তাদের অবশ্যই আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করবো।’
ডা. সাবরিনা সরকারি কর্মকর্তা হয়েও কীভাবে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের লাভজনক পদে ছিল- সে বিষয়ে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘সরকারি চাকরি করে এমন কোনও কর্মকর্তা যদি তার দায়িত্বের ব্যত্যয় কিছু করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে তার সংশ্লিষ্ট দফতর ব্যবস্থা নিতে পারে। আমরা তার বিষয়ে যে তথ্য পেয়েছি সেটি স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয় লিখবো। তারা দেখবেন এটা ক্রিমিনাল অফেন্স নাকি বিভাগীয় অফেন্স। এটা তারাই দেখবেন, তারাই ব্যবস্থা নেবেন। তারা যদি ক্রিমিনাল কোনও অফেন্সের ব্যবস্থার জন্য আমাদের কাছে আসেন, অবশ্যই আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো।’ তথ্য সহায়তা বাংলাট্রিবিউন।

