দেশের মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০ । আপডেট: ১০:১০
দেশের মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। অনেক এলাকার গ্রামীণ রাস্তাঘাট এখন পানির নিচে। শহরাঞ্চলে বিভিন্ন অফিসেও ঢুকেছে পানি। কোথাও কোথাও রেলপথও প্লাবিত হয়েছে। ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকেছে বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালে।
ঢাকার চারপাশে এই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সুখবর দিতে পারেনি বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তাদের হালনাগাদ তথ্য বলছে, সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার চারপাশের নদ-নদীগুলোর পানি আরো বাড়তে পারে।
এ ছাড়া ঢাকার পাশের মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির খবর নেই। ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আজ আরো অবনতি হতে পারে। তবে গত কয়েক দিন উজানে যেভাবে ভারি বর্ষণ হয়েছিল, রবিবার তেমনটি হয়নি।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণে থাকা ১০১টি পানির স্টেশনের মধ্যে ৪৪টি স্টেশনের পানি বাড়ছে। ৫৪টির কমছে। অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি স্টেশনের পানি। বিপৎসীমার ওপরে স্টেশনের সংখ্যা এখন ২৮ আর বিপৎসীমার ওপরে নদীর সংখ্যা ১৮।
সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল থেকে বাড়ছে। আজও পানি বাড়তে থাকবে। যমুনা নদীর পানিও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। তবে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল থেকে কমতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পানি আরো কমবে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীর পানি সমতল থেকে কমছে। এটি আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরো কমবে।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নাটোর, বগুড়া, জামালপুর ও নওগাঁর নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই বন্যা আগস্টেও ভোগাবে।

