মিরপুরে চলন্ত বাসে কিশোরী ধর্ষণ: চালক ও হেলপার গ্রেপ্তার

মিরপুরে চলন্ত বাসে কিশোরী ধর্ষণ: চালক ও হেলপার গ্রেপ্তার

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০ । আপডেট: ২০:১০

রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী এলাকায় চলন্ত বাসে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর বাস থেকে ফেলে দেয়ার ঘটনায় ওই বাসের চালক ও হেল্পারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে শাহ আলী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বাসচালক মোহাম্মদ রাফি ও হেলপার বিদ্বান মিয়া। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, গত মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১৪)। ঘটনার পর অচেতন অবস্থায় তাকে বাস থেকে ফেলে দেওয়া হয় মিরপুর-১ নম্বর সেকশন এলাকায়। পরে স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। এরপর কিশোরীকে উদ্ধার করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে শাহ আলী থানা পুলিশ।

ওসি আবুল বাসার মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ওই কিশোরী একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। তার বাবা-মা নেই। পালিতকন্যা হিসেবে পল্লবীর আলুব্দী এলাকার একটি পরিবারের সঙ্গে থাকে। মঙ্গলবার সে আব্দুল্লাপুর থেকে চিড়িয়াখানা রোডে চলাচল করা শতাব্দী পরিবহনের একটি বাসে ওঠে। আমিনবাজারে এক আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার কথা ছিল তার। তবে ওই কিশোরীকে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে বাস থেকে নামতে দেয়নি চালক ও হেলপার। এমনকি সব যাত্রী নেমে যাওয়ার পর চিড়িয়াখানা রোডে বাসটি পরিষ্কার করার সময়ও সে বাসে ছিল। এরপর চলন্ত বাসে রাফি ও বিদ্বান পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে মিরপুর-১ নম্বরের চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এলাকায় তাকে ফেলে পালায় ধর্ষকরা। অচেতন কিশোরীর পড়ে থাকার খবরে একাধিক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে দেখা যায়, ঘটনাস্থল শাহ আলী থানায় পড়েছে। এ ঘটনায় রাতেই মামলা নেওয়া হয়। চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় কিশোরীর।

শাহ আলী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) জাহিদুর রহমান জানান, মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এরমধ্যে দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের এক সহযোগী পলাতক রয়েছে। তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

অপরদিকে মঙ্গলবার রাতে শাহ আলীর নতুন সি-ব্লকের এক নম্বর সড়কের বাসায় ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। এ ঘটনায় বুধবার গৃহকর্তা পারভেজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ভাড়া বাসাতেই সাবলেট থাকতেন ভুক্তভোগী তরুণী। তারা দু’জনই পোশাক কারখানায় কাজ করেন বলে জানা গেছে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading