পাকিস্তানে ক্রিকেট ম্যাচে সন্ত্রাসী হামলা, এলোপাতাড়ি গুলি

পাকিস্তানে ক্রিকেট ম্যাচে সন্ত্রাসী হামলা, এলোপাতাড়ি গুলি

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২০ । আপডেট: ১৫:২০

এলোপাতাড়ি গুলিতে আরেকবার কেঁপে উঠলো পাকিস্তানের ক্রিকেট। আবারও সন্ত্রাসী হামলার শিকার হল পাকিস্তান ক্রিকেট। দেশটির লকডাউন শিথিল হওয়ার পর খেলাধুলা চালু হলেও ক্রিকেট মাঠে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি যেন সব ওলটপালট করে দিল ফের।

এর আগে ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের বাসে সন্ত্রাসী হামলার পর দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ ছিল পাকিস্তানে। ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ে সফর দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরে দেশটিতে। এরপর শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও বিশ্ব একাদশ খেলেছে পাকিস্তানে। এখন চলছে ইংল্যান্ডের সফরে আসার আলোচনা। এর মধ্যেই আঞ্চলিক ক্রিকেট ম্যাচ শিকার হলো সন্ত্রাসী হামলার।

আন্তর্জাতিক কিংবা বড় কোনও টুর্নামেন্ট নাহলেও কিন্তু ২২ গজের খেলায় সন্ত্রাসীদের বৃষ্টির মতো গুলির ঘটনা ক্রিকেট বিশ্বে যে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলবে না, সেটা জোর গলায় বলার সুযোগ নেই। কেননা পাকিস্তান এখনও ঠিকঠাক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে পারেনি। এর মধ্যেই আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ম্যাচে সন্ত্রাসী হামলা পাকিস্তানের জন্য মোটেও ভালো খবর নয়।

ঘটনাটা বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট)-এর। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাট বিভাগের ওরাকজাই জেলার দ্রাদাই মামাজাই এলাকার আমান ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে আচমকা সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। ম্যাচটি দেখতে ভিড় করেছিলেন অনেক দর্শকই, সঙ্গে ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সংবাদকর্মীরা।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ছেপেছে, খেলা শুরুর পরপরই মাঠের পাশের পাহাড় থেকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে সন্ত্রাসীরা। খেলোয়াড়, দর্শক ও সংবাদকর্মীরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন। ফাইনালের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলামের স্থানীয় নেতা হাজী কাসিম গুল।

গোলাগুলির অবস্থা এতটা খারাপ ছিল যে, তাৎক্ষণিক খেলা বাতিল করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না আয়োজকদের। তবে অপ্রত্যাশিত এই ঘটনায় কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দ্য নিউজ।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading