সিইসিসহ কমিশনাররা পদত্যাগ করলে জাতি উপকৃত হবে: টিআইবি
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২০ । আপডেট: ১৯:৫০
প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বিলোপ করে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আইন ২০২০’ এর খসড়া তৈরির খবরে বিস্ময় প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। নির্বাচন কমিশন তার ওপর অর্পিত সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নিজেদের এভাবে অযোগ্য মনে করলে প্রধান কমিশনারসহ (সিইসি) সব কমিশনাররা স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ালে জাতি উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেছে টিআইবি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রার্থিতা বাতিলের সরাসরি একক ক্ষমতা থেকে সরে আসা নির্বাচন কমিশনের একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯১-ই ধারার ১ ও ২ উপধারা অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনও প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে, তা তদন্ত করে দেখা এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার সরাসরি ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে। সেটি কী যুক্তিতে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে, তার যে ব্যাখ্যাই কমিশন দিক না কেন, এটি যে ভালো কোনও উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না বরং কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর করে দেওয়ার হীন চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না।’
নিজেরা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগ করার সৎসাহস রাখেন না বিধায়, মাথা ব্যথার কারণে মাথা কেটে ফেলার অপপ্রয়াস এই উদ্যোগ কিনা এই প্রশ্ন ওঠাও স্বাভাবিক, বলেছে টিআইবি।
‘জনগণের কাছে কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা কোন অবস্থানে আছে সেটা অনুধাবন করতে পারাটা এখন তাদের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব’ এমন মন্তব্য করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে নির্বাচন কমিশনের যেখানে তার সাংবিধানিক মর্যাদা ও সুনাম পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট থাকা উচিত, সেখানে সম্ভবত জেনে বুঝেই তারা রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে নিজেদেরকে আত্মদানমূলক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এ জাতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।’

