মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্তের ব্যবস্থা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেপ্তার ২

মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্তের ব্যবস্থা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেপ্তার ২

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ । আপডেট: ১৯:৩০

মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্তের ব্যবস্থা করতে গিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে মনিপুরীপাড়ায় শিফা ভিলা নামের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য জানিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত দুজন হলেন-মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব (৪৩) ও মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পী (৪০)।

এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ভুক্তভোগী নারী অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের ভর্তি করান। দায়িত্বরত চিকিৎসক স্বামীর জন্য রক্ত প্রয়োজন এবং জরুরিভাবে রক্তের ব্যবস্থা করার পরার্মশ দেন। ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ব্লাড ব্যাংকের সামনে গিয়ে তিন-চারজন পুরুষকে বসা দেখতে পেয়ে রক্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব রক্তের ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানান। পরে দুপুর দেড়টার দিকে কৌশলে রক্তের ব্যবস্থা করে দেওয়ার নাম করে মিরপুরে শিল্পীর বাসায় নিয়ে যান। বাসায় নিয়ে শিল্পীর সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করে মনোয়ার।

এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, ভুক্তভোগী নারী লোকলজ্জার ভয়ে ও স্বামীর অসুস্থতার কারণে ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখেন। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার স্বামীর মোবাইলে কল করে তারা বলে রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে- আপনার স্ত্রীকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় পাঠিয়ে দেন। তখন ওই নারী পুনরায় ধর্ষিত হওয়ার ভয়ে তার স্বামীকে বিষয়টি খুলে বলেন।

এরপর তারা দুজন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বরাবর অভিযোগ করেন। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-২ এর একটি দল মনোয়ার হোসেন ও তার সহযোগী শিল্পীকে গ্রেপ্তার করে।

এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনোয়ার শিল্পীর সহযোগিতায় ভিকটিমকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। শিল্পীর সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানায় মনোয়ার। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading