বাংলালায়নের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তরে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ০৯:২০
ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনেশন লিমিটেডের সব ধরনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তরের ওপর তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্রোকার হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক বা একই জাতীয় প্রতিষ্ঠানে থাকা টাকা ও জামানত হিসেবে রাখা সম্পদ হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৮ অক্টোবর হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। তবে এ আদেশের কপি বৃহষ্পতিবার (০৫ নভেম্বর) আদালত থেকে পাওয়ার পর তা নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ।
বাংলালায়নের অবসায়ন চেয়ে ফারইস্ট ইসলামিক লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন হাইকোর্টের এই কোম্পানি আদালত। বাংলালায়ন থেকে বন্ড ক্রেতা ছিল ফারইস্ট।
আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ ও মো. ইমরান আলী।
আদেশে অবসায়ন চেয়ে ফারইস্ট ইসলামিক লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের করা এক আবেদন কেন গ্রহণ করা হবে না তিন সপ্তাহের মধ্যে তার কারণ দর্শাতে বাংলালায়ন কমিউনেশন লিমিটেডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া ৮ নভেম্বর পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
বাংলালায়ন কমিউনেশন লিমিটেডের কাছ থেকে ২০১২ সালে ৫০ কোটি টাকার বন্ড নেয় ফারইস্ট ইসলামিক লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। পরবর্তীতে ওই টাকা ফেরতের জন্য চিঠি দেয় ফারইস্ট। কিন্তু টাকা ফেরত দিতে গড়িমসি করে বাংলালায়ন। এখন পর্যন্ত টাকা ফেরত না পেয়ে ওই কোম্পানির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে ফারইস্ট।
আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সাইফ সাংবাদিকদের বলেন, ৫০ কোটি টাকা দিয়ে বন্ড কেনে ফারইস্ট। এ বিষয়ে চুক্তির শর্তানুযায়ী ২০১৯ সাল পর্যন্ত ফারইস্টের অনুকূলে ৯৮ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার কথা। যার বর্তমান মূল্য একশ ৩৯ কোটি। কিন্তু তা ফেরত দেয়নি বাংলালায়ন। এ কারণে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। -ইউএনবি

