নাটোরে কনে দেখতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ছেলের মা

নাটোরে কনে দেখতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ছেলের মা
ধর্ষণ । প্রতিকী চিত্র

উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১১:৩০

ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে নাটোরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ছেলের মা। নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া এলাকার চৌরাস্তার পাশে আম-জাম তলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে সাত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ছেলে-মেয়ে রেখে ওই নারীর স্বামী চলে গেছেন অনেকদিন আগে। অসহায় নারী (৪০) নানা কষ্ট করে বিয়ে দিয়েছেন মেয়েকে। এবার রাজমিস্ত্রি ছেলেকে বিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করেছিলেন। নানা জনকে বলার এক পর্যায়ে নিজ মেয়ের শ্বশুর তথা বিয়াই খোঁজ দেন তার এক বন্ধুর ভাতিজির। মনস্থির করেন বিয়াইয়ের সঙ্গে ওই মেয়ে দেখতে যাবেন। কিন্তু মেয়ে দেখতে গিয়ে বিয়াই ও তার বন্ধুদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন তিনি।

এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে সাত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কৃষ্ণমোহন ও লালপুর থানার ওসি সেলিম রেজা বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছে লালপুর উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের মৃত আনার আলীর ছেলে ভুক্তভোগীর বিয়াইয়ের কথিত বন্ধু রাশেদুল ইসলাম (৩৬), ওয়ালিয়া সেন্টারপাড়া গ্রামের মৃত সফর সরদারের ছেলে আকমল সরদার (৪৫), ওয়ালিয়া আমিন পাড়া গ্রামের মৃত লালমিয়া সরকারের ছেলে রবিউল ইসলাম সরকার (৪৫), ওয়ালিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃৃত লাল মোহাম্মদ রশিদ সরকারের ছেলে জিল্লুর রহমান (৪২), ওয়ালিয়া বাজার পাড়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের ছেলে জীবন ইসলাম (২৫), ওয়ালিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল মন্ডলের ছেলে তরিকুল ইসলাম (৩৫) এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রামের মৃত তৌফিক ফকিরের ছেলে, ভুক্তভোগীর বিয়াই ও ডাব বিক্রেতা রায়হান ফকির (৩৮)।

এসআই কৃষ্ণমোহন মামলার অভিযোগসূত্রে জানান, রাশেদুলের ভাতিজিকে বিয়ের কনে হিসেবে দেখাতে ওই নারীকে নিয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ গ্রাম থেকে মঙ্গলবার বিকালে ওয়ালিয়ায় আসেন বিয়াই রায়হান। এক পর্যায়ে সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থলে নিয়ে বিয়াই রায়হানের পর রাশেদুলও ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এরপর রাশেদুলের মাধ্যমে মোবাইলফোনে খবর পেয়ে আরও ১২ ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। সকালে ভুক্তভোগী নারী ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে পৌঁছে। এরপর বিকাল সোয়া তিনটার দিকে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযানে পুলিশ ওই অভিযুক্ত সাত জনকে গ্রেফতার করে বলে জানান এসআই কৃষ্ণমোহন। তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading