মরদেহ ধর্ষণের রোগ ‘নেক্রোফিলিয়া’
উত্তরদক্ষিণ | শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ৪:৪৬
হরহামেসাই মানুষ বিভিন্নরকম মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়। কিছু কিছু মানসিক ব্যাধি ব্যক্তিকে অপরাধ সংঘটিত করতে প্ররোচনা দেয়।
সম্প্রতি ঢাকায় একটি হাসপাতালের মর্গে নারীদের মরদেহের সাথে ‘যৌন লালসা চরিতার্থ’ করার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি। সিআইডি কর্মকর্তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধী তার এসব অপকর্মের কথা স্বীকার করে। এই আচরণকে একটি মানসিক ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করেছে মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা, যাকে ‘নেক্রোফিলিয়া’ বলা হয়।
‘নেক্রোফিলিয়া’ এক ধরণের মানসিক যৌনব্যাধি। যারা এই ব্যাধিতে আক্রান্ত তাদের বলা হয় নেক্রোফিলিয়া। এরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি মৃতদেহের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে ১৯৮৯ সালে ১২২ জন নেক্রোফইল ব্যক্তির তথ্য পর্যালোচনা করে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
ঐ গবেষণায় বলা হয়, ‘বাধা দেবে না বা প্রত্যাখ্যান করবে না’, মূলত এমন যৌন সঙ্গী পাওয়ার বাসনা থেকে মরদেহের সাথে যৌন সংসর্গ করে থাকে নেক্রোফাইলরা। অনেক সময় তারা এমন পেশা নির্ধারণ করে, যেখানে মরদেহের আশেপাশে থাকার সুযোগ থাকে তাদের।
নেক্রোফিলিয়াকদের তালিকার ওপর দিকে থাকা মানুষদের বেশিরভাগই সিরিয়াল কিলার। যেমন, আমেরিকার এড গেইন। দুই মহিলাকে খুনের পর তাদের দেহ কবর থেকে বার করে এনেছিল সে।
তবে এই তালিকার শীর্ষে নিঃসন্দেহে থাকবে টেড বাডির নাম। শবের সঙ্গে যৌনক্রিয়া করতে অন্তত তিরিশজন মহিলাকে খুন করেছিল টেডি।
শুধু শবের সঙ্গে সহবাসই নয়। শব সঙ্গে নিয়ে থাকার প্রবণতাও নেক্রোফিলিয়া।

