বার্সায় হরলান্ডকে আনার দাবি করা বার্সেলোনা প্রার্থীর ‘বিদায়’
উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ১৩:১৯
সভাপতি পদপ্রার্থী এমিলি রুশো বার্সার সভাপতি পদের জন্য লড়তে থাকা অন্যান্য প্রার্থীদের মত মেসি-স্তুতি, গার্দিওলাকে দলে ফেরানো কিংবা জাভির মতো সাবেক কিংবদন্তিকে কোচ করার কথা না বলে হেঁটেছিলেন একটু ভিন্ন পথে। জানিয়েছিলেন—অতীতে ফেরার দিন শেষ। আগামীতে তাকানোর এটাই সময়।
আগামীর সমৃদ্ধ বার্সেলোনা গঠন করতে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের স্ট্রাইকার হরলান্ডকে দলে আনতে চেয়েছিলেন তিনি।
দাবি করেছিলেন, নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকারের মুখপাত্রদের সঙ্গে আলোচনা করা শেষ তাঁর। এখন শুধু এমিলি রুশোর সভাপতি হওয়ার অপেক্ষা। রুশো সভাপতি হলেই মেসির সঙ্গে ন্যু ক্যাম্পে খেলতে নেমে পড়বেন হরলান্ড!
বলা বাহুল্য, যথেষ্ট উচ্চাভিলাষী ঘোষণা। কিন্তু শেষমেশ দেখা গেল সেই রুশো নিজেই নির্বাচন করতে পারছেন না। ঘোষণাটা এই প্রার্থী নিজেই জানিয়েছেন।
নির্বাচনে দাঁড়াতে চাওয়া প্রার্থীদের পেছনে সমর্থনের মাত্রা কেমন, সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য চূড়ান্ত তিন প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগে প্রত্যেক প্রার্থীকেই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ সমর্থকদের প্রমাণসিদ্ধ সই জোগাড় করতে হয়।
এবার এই ন্যূনতম মাত্রা ধার্য করা হয়েছিল ২,২৫৭টি। রুশো ২,৫১০টি সই জোগাড় করতে পারলেও এর মধ্যে ৫০০–এর মতো সই আসল কি না, সন্দেহ ছিল। ফলে নির্বাচনী দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন এই ভদ্রলোক।
ছিটকে গিয়েই বার্সার নির্বাচনী যুদ্ধকে ‘নোংরা খেলা’ বলে অভিহিত করেছেন, ‘আমাদের ক্রীড়াবিষয়ক ও অর্থনৈতিক প্রস্তাবনাগুলো সবার সেরা ছিল। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই, চক্রান্ত করে আমাদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হলো না। এসব নোংরা খেলায় নামতে রাজি নই আমি, তাই আমি নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছি না আর।’
শুধু রুশোই নন, নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে গেছেন অগুস্তি বেনেদিতো, জাভি ভিলাহোয়ানা, জর্দি ফারে, লুইস ফের্নান্দেস ও পেরে রিয়েরা। চূড়ান্ত লড়াইয়ের টিকিট পেয়েছেন সাবেক সভাপতি জোয়ান লাপোর্তা, ভিক্তর ফন্ত ও টনি ফ্রেইসা।

