‘দেশীয় উদ্যোক্তাদের ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইনের সাথে লিংক করিয়ে দেয়া সময়ের দাবি’

‘দেশীয় উদ্যোক্তাদের ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইনের সাথে লিংক করিয়ে দেয়া সময়ের দাবি’

উত্তরদক্ষিণ | রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ১৪:৫০

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী দেশের কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-উদ্যোক্তা এবং ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইনের মধ্যে লিংকের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্যোক্তাদের ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইনের সাথে লিংক করিয়ে দেয়া এখন সময়ের দাবীতে পরিণত হয়েছে। এসব উদ্যোক্তার জন্য যেসব প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম নেয়া হচ্ছে, সেগুলো খুবই সময়োপযোগি উদ্যোগ। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় মার্কেটের সাথে তাদের (উদ্যোক্তা) লিংক করানোর ক্ষেত্রে।’
ড. গওহর রিজভী শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সিএমএসএমইস : জার্নি, চ্যালেঞ্জেস এন্ড ফিউচার ডিরেকশন’ শীর্ষক ঢাকা বিভাগীয় ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন,ক্রিয়েটিভিটি এন্ড এন্টারপ্রেনিউরশীপ (আইসিই) সেন্টার এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথভাবে গৃহীত ‘রিভাইভ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ভার্চ্যূয়াল মাধ্যমে এই ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়।
আইসিই সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মোঃ রাশেদুর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টারের ভাইস-চেয়ারম্যান ড. খন্দকার বজলুল হক ।
অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
গওহর রিজভী বলেন, বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের লক্ষ্য পূরণের জন্য দেশের পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জগোষ্ঠিকে সামনে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইসিই সেন্টার অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।
ওয়েবিনারে বক্তারা দেশীয় পণ্য আন্তর্জাতিকীকরণের বিষয়ে বলেন, এ ব্যাপারে প্রথমে সিএমএসএম খাতকে একসাথে না দেখে বরং কুটির, ক্ষুদ্র এবং মাঝারী শিল্পকে আলাদাভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।
এজন্য তারা প্রতিটির জন্য ভিন্ন ভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন। কারণ ছোট এবং মাঝারী শিল্পকে যখন একীভূত করে ফেলা হয়, তখন নীতিগুলো কোনো কোনো ক্যাটাগরির জন্য প্রয়োজনের বাইরে জটিলতার সৃষ্টি করে, যা ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিকীকরণে ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যা হয় ।
রিভাইভ প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার ম্যাপিং উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তারা বলেন,এর মধ্যদিয়ে জেলা ভিত্তিক শিল্পায়নের সুযোগ এবং সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading