অড্রে হেপবার্নের চলে যাওয়ার দিন আজ
উত্তরদক্ষিণ | বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ১৬:০৫
আজ ২০ জানুয়ারি, এই দিন চলে গিয়েছিলেন রোমান হলিডের সেই ‘রাজকুমারী’ অড্রে হেপবার্ন। ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন প্রখ্যাত এই অভিনেত্রী। ১৯৯৩ সালের ২০ জানুয়ারি ৬৩ বছর বয়সে সুইজারল্যান্ডে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। সেখানেই তার সমাধি।
১৯২৯ সালের ৪ মে বেলজিয়ামে জন্মেছিলেন অড্রে। মা–বাবা নাম রেখেছিলেন অড্রে ক্যাথলিন রুস্টন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ছদ্মনাম নেন এডা ভন হেমেস্ট্রা। পরে যখন সিনেমার দুনিয়ায় প্রবেশ করলেন, পরিচিতি পেলেন অড্রে হেপবার্ন নামে।
গত শতকের প্রতিভাবান এই অভিনেত্রী ও ফ্যাশন আইকনের অভিনয় যেমন ছিল সাবলীল, তেমনি তার দ্যুতিময় চাহনি সহজে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিল।
একা থাকতে ভালোবাসতেন। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘প্রায়ই আমাকে একা থাকতে হতো। শনিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বাসায় যদি একা থাকতে পারতাম, তাতে আমার খুব ভালো লাগত। এভাবেই আমি উজ্জীবিত হই।
এক আলোকচিত্রীর মডেল হিসেবে কাজ শুরু করেন অড্রে। ব্রিটিশ থিয়েটারে কোরাস গার্ল হিসেবে কিছুদিন কাজ করার পর সুযোগ পেয়েছিলেন সিনেমায়। তবে অড্রে হেপবার্নের জীবনের মোড় ঘুরে যায় রোমান হলিডেতে অভিনয়ের পর।

সে ছবিতে প্রযোজকেরা প্রথমে এলিজাবেথ টেলরকে নিতে চাইলেও পরিচালক উইলিয়াম উইলারের অড্রেকে স্ক্রিন টেস্টে ভালো লেগে যায়। ছবিতে সাংবাদিক জো ব্রাডলি চরিত্রে অভিনয় করা গ্রেগরি পেক আগেই বলেছিলেন, অড্রে তার এই অভিনয়ের জন্য অস্কার পাবেন। তাই হয়েছিল, অড্রে ১৯৫৪ সালে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই সেরা নারী অভিনয়শিল্পী হিসেবে প্রথমবারের মতো জিতে নেন অস্কার, বাফটা আর গোল্ডেন গ্লোব—তিনটি পুরস্কার।
এ ছাড়া তিনি অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন ব্রেকফাস্ট অ্যাট টিফানিস, শ্যারেড, দ্য চিলড্রেনস আওয়ার, প্যারিস হোয়েন ইট সিজলস, দ্য নানস স্টোরি, ফানি ফেস, হাউ টু স্টিল আ মিলিয়ন, মাই ফেয়ার লেডির মতো ছবিগুলোয়। অভিনয় করেছেন ওয়ার অ্যান্ড পিস সিনেমায়ও। তবে এক রোমান হলিডের জন্যই আলাদা করে মনে রাখতে হবে অড্রে হেপবার্নকে। এই সিনেমার জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন তখনকার সময়ের ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার।

