করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণে প্রস্তুত নীলফামারী
উত্তরদক্ষিণ | সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ | আপডেট: ০৯:৩৭
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নীলফামারীর ছয় উপজেলায়। ইপিআই প্রকল্পের টিকা যে রেফ্রিজারেটরে রয়েছে সেখানেই করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণে বাড়তি কোনও ঝামেলা পোহাতে হবে না বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির। তিনি জানান, জেলা পর্যায়ে ২৫ জানুয়ারি (সোমবার) মিটিং ডাকা হয়েছে। এতে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে, তিনি হবেন উপদেষ্টা। এরপর সভাপতি জেলা প্রশাসক ও সদস্য সচিব সিভিল সার্জনসহ ১৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ১৫ ক্যাটাগরির লোক এই টিকা পাবেন। উপজেলা বিষয়ক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা এই তালিকা নিশ্চিত করবেন। তারা আমাদের কাছে ওইসব তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কিছু কিছু উপজেলা থেকে প্রথম সারির সেসব যোদ্ধাদের তালিকা আসতে শুরু করেছে।
ভ্যাকসিন প্রয়োগ বা কেন্দ্র কোথায় করা হবে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন জানান, প্রথম পর্যায়ে জেলা ও উপজেলাভিত্তিক স্থানীয় হাসপাতালে টিকা প্রদান করা হবে। সেখানে ছয়জন প্রতিনিধি টিকা প্রয়োগের কাজ করবেন। এরমধ্যে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার দুই জন, নার্স দুই জন ও স্বেচ্ছাসেবক দুই জন। প্রয়োজনবোধে আরও কর্মী বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাকেসহ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনবো।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাসেবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে যাদেরকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তাদের নামের তালিকা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। অপরদিকে, করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষনের জন্য যে তাপমাত্রার দরকার (২.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস) তা যথেষ্ট রয়েছে। বর্তমানে হাম-রুবেলা ভ্যাকসিন প্রয়োগ শেষের দিকে। আর করোনার ভ্যাকসিন সেই রেফ্রিজারেটরে রাখা হবে। পরবর্তীতে টিকার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

