ইন্ডিয়ার কৃষি আইনকে আমেরিকার সমর্থন
উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | আপডেট: ১২:৩০
ইন্ডিয়ার নতুন কৃষি আইন নিয়ে মোদি সরকারকে সমর্থন দিয়েছে আমেরিকা। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো পক্ষে না গিয়ে মধ্যপন্থা বেছে নিয়েছে ব্রিটেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।
বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আমেরিকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন উন্নত গণতন্ত্রের পরিচায়ক। তবে ইন্ডিয়া সরকার কৃষি আইন নিয়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে দেশের বাজারই উপকৃত হবে। পাশাপাশি দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগের রাস্তাও তৈরি হবে।
এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বাইডেন প্রশাসন সরাসরি স্পষ্ট করে দিতে চেয়েছে ইন্ডিয়া সরকার কৃষিক্ষেত্রে যে সংস্কার এনেছে, তা কৃষকদের স্বার্থেই এবং এই সংস্কারে কৃষকরা লাভবানই হবেন।
তবে ব্রিটেন এবিষয়ে কৌশলে মধ্যপন্থা নীতি অবলম্বন করেছে। বিষয়টি নিয়ে তাদের পার্লামেন্টে একটি বিতর্কসভার আয়োজন করতে যাচ্ছে বরিস জনসন প্রশাসন। জনমতের ওপর ভিত্তি করেই বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান ঠিক করতে চায় ব্রিটেন।
এদিকে বাইডেন প্রশাসন ইন্ডিয়া সরকারের পাশে থাকলেও কৃষক আন্দোলন নিয়ে আমেরিকাতেও দ্বিমত তৈরি হচ্ছে। কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেন্স এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘ইন্ডিয়ার কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপের খবর পাচ্ছি, তাতে খুবই উদ্বিগ্ন। মোদি সরকারের উচিত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে একটা যথার্থ সমাধান বের করা।’
হ্যালি জানান, পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে একটি জনমত গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কংগ্রেসের আরও এক সদস্য ইলহান ওমরও কৃষকদের সমর্থনেই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়ার গণতান্ত্রিক অধিকারকে রক্ষা করা প্রয়োজন। কী ঘটছে সবার সামনে তুলে ধরা উচিত। যেভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, সাংবাদিকদের আটক করা হচ্ছে, তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়।’
হ্যালি এবং ইলহানের মতো আমেরিকার অনেক নেতাই কৃষক আন্দোলনের পক্ষে মত পোষণ করেছেন। আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভাইয়ের মেয়ে মীনা হ্যারিসও কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
কৃষি আইন নিয়ে সম্প্রতি পপ তারকা রিহানা টুইট করেন। তার টুইট নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এরপর গ্রেটা থুনবার্গ, মিয়া খলিফারাও কৃষি আইন নিয়ে টুইট করেন। যা নিয়ে জোর চর্চা করছেন নেটিজেনরা।
এর আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও কৃষকদের সমর্থন করে বার্তা দেন।

