‘করোনাভাইরাসের টিকা দেশেই তৈরিতে উদ্যোগী সরকার’
উত্তরদক্ষিণ | রবিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২১ | আপডেট: ১১:৫০
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, দেশের একাধিক ওষুধ কোম্পানির করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতাকে সরকার কাজে লাগাতে চায়। এই জন্য টিকা তৈরিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানিয়ে কাঁচামাল সরবরাহের জন্য টিকা উদ্ভাবক একাধিক বিদেশি কোম্পানিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। টিকার কাঁচামাল সিড বা বাল্কের ব্যবস্থা করে দিতে উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠানকে সরকার অনুরোধ করেছে।
দেশে ব্যবহৃত টিকা ‘কোভিশিল্ডের’ উদ্ভাবক অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে সরকার এবং অন্য টিকার উদ্ভাবকদের কাছে ওষুধ শিল্প উদ্যোক্তারা কাঁচামালের জন্য চিঠি দিয়েছে।
তবে শুধু কাঁচামাল পেলেই এই টিকা তৈরি সম্ভব হবে না। এর জন্য বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মান অনুযায়ী হতে হবে। সেজন্যও ডব্লিউএইচওর সহায়তা চেয়েছে সরকার।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে চিঠি লিখেছি অ্যাস্ট্রেজেনেকার কাছে, যে আমাদের কাঁচামাল দাও। আমাদের টিকা তৈরির ফ্যাসিলিটি আছে। এখানে আমরা নিজেরা তৈরি করে ব্যবহার করতে পারব এবং চাইলে বিদেশেও রপ্তানি করতে পারব। তাদের যেখানে ডিমান্ড আছে বা যেখানে দিতে বলবে, সেখানেও আমরা দিতে পারব।”
তিনি জানান, বাংলাদেশে ওষুধের মান পরীক্ষার জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের গবেষণাগারের একটি অংশ গত বছরের মার্চ মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে। আরেকটি অংশের কিছু কাজ বাকি আছে।
এ বিষয়ে সহযোগিতার পর অনুমোদনের অনুরোধ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “ট্কিার যদি অ্যাপ্রুভাল পেতে হয় বা বিদেশে পাঠাতে হয় তাহলে ডব্লিউএইচওর অনুমোদিত ল্যাবে টিকা অনুমোদিত হবে। এ কারণে এই ল্যাবেরও অনুমোদন লাগবে।

