৪৪ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার হচ্ছে না
উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল ২০২১ | আপডেট: ১৮:৩০
শেয়ারবাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত ১১০ কোম্পানির মধ্যে ৬৬টির শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস (দর পতনের সর্বনিম্ন সীমা) প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
ফলে দীর্ঘদিনের আটকে পড়া টাকা হাতে পাবেন বিনিয়োগকারীরা। তবে, ৪৪ কোম্পানির শেয়ারের ওপর ফ্লোর প্রাইস বহাল রয়েছে। এখনই এসব কোম্পানির শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হচ্ছে না বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে, দীর্ঘদিন ফ্লোর প্রাইসে বহাল রাখা ঠিক হবে না। বাজারকে তার স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হবে। বিশ্বের কোথাও এ ধরনের পদ্ধতি নেই। পতনমুখী বাজারকে ধরে রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করার কারণে অনেক বিনিয়োগকারী আটকেপড়া টাকা হাতে পাবেন। এর ফলে শেয়ারবাজারে গতি ফিরবে।
এদিকে, বুধবার (৭ এপ্রিল) বিএসইসির ৭৬৯তম কমিশন সভায় ৬৬টি কোম্পানির শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে তা কার্যকর করা হয়েছে। ফলে গত বুধবার পর্যন্ত শেয়ারবাজারে ১১০টি কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে আটকে ছিল। বৃহস্পতিবার ৬৬টি কোম্পানির শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এখনো ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস বহাল রয়েছে।
৬৬টি কোম্পানির শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক বিনিয়োগকারী অতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করেছেন। তবে এ বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিলে শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক পতন শুরু হয়। এ পতনরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে ওই বছরের ১৯ মার্চ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের ওপর ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করে বিএসইসি।

