পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় ৭০২ আশ্রয়কেন্দ্র, ৮৬ মেডিকেল টিম প্রস্তুত
উত্তরদক্ষিণ | সোমবার, ২৪ মে ২০২১ | আপডেট ১৯:৩০
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবিলায় পটুয়াখালীতে ৭০২টি আশ্রয়কেন্দ্র, ৮৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলার কলাপাড়া উপজেলায় নবনির্মিত মুজিব কিল্লায় গবাদি পশুসহ দুর্গত মানুষরা আশ্রয় নিতে পারবেন। জেলার আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া গবাদি পশু, শিশু, ও মানুষের খাদ্য সরবরাহের জন্য ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রানালয়।
এদিকে সোমবার বেলা ৩টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় প্রস্তুতি সভা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো: মতিউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় প্রস্তুতি সভায় জেলা দুর্যোগ ও ত্রান ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা মি. রনজিত কুমার সরকার, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম শিপন, পুলিস সুপারসহ জেলার পদস্থ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান বক্তারা।
এছাড়া ঘূর্নিঝড় ইয়াস মোকাবেলায় কুয়াকাটার অর্ধশত হোটেল মোটেলকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের উদ্দোগ নিয়েছে হোটেল মোটাল ওনার্স এসোসিয়েশন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে শারিরীক দূরত্ব নিশ্চিত এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামাদি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ
রক্ষায় প্রস্ততি নিচ্ছে সিপিপি, রেড ক্রিসিন্ট, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ ফায়ার সার্ভিসের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার টিমের সদস্যরা।
কলাপাড়া ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জান খান বলেন, সকাল ১০টায় ’ইয়াস’ পায়রা বন্দরের ৬০৫ কি.মি. দক্ষিনে অবস্থান করছিল। বর্তমানে এটি নিম্নচাপে পরিনত হয়েছে। ৪৮ কি.মি. এর মধ্যে প্রতি ঘন্টায় এর গতিবেগ ৬২-৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পায়রা বন্দরকে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
জেলা দুর্যোগ ও ত্রান ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা মি. রনজিত কুমার সরকার বলেন, ঘূর্নিঝড় ’ইয়াস’ মোকাবেলায় শিশু খাদ্য, মানুষ ও গো-খাদ্যের জন্য জেলায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

