শিমুলিয়া-বাংলাবাজার লঞ্চে যাত্রীর চাপ
উত্তরদক্ষিণ| শনিবার, ২১ আগস্ট ২০২১| আপডেট ১৩:১৫
মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌ-রুটে সব ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় লঞ্চে যাত্রীর ঢল নেমেছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার-মাঝিকান্দি নৌ-রুটে চলাচলে প্রতিটি লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী পারাপারের কথা থাকলেও ধারণক্ষমতার চেয়ে ৪০ থেকে ৫০ জন বেশি যাত্রী তোলা হচ্ছে। মানা হচ্ছে না কোনো স্বাস্থ্যবিধি।
শনিবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন শিমুলিয়া নৌবন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, পদ্মার পানি বাড়ায় তীব্র স্রোতের দেখা দিয়েছে। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে গত বুধবার থেকে ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিসির কর্তৃপক্ষ। এতে লঞ্চের উপর যাত্রীর চাপ বেশি। সকাল থেকেই লঞ্চে যাত্রীর সংখ্যা বেশি। এই রুটে ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করছে। ফেরি ও স্পিডবোট চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় লঞ্চে যাত্রীর চাপ অনেক বেশি। এ কারণে ধারণক্ষমতার চেয়ে সামান্য বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো চলছে। তবে নদীর স্রোত ও পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার বিষয়গুলো মাথায় রেখেই চালকেরা লঞ্চ চলাচল করাচ্ছেন।
মাদারীপুরগামী লঞ্চের যাত্রী আব্দুর রশিদ বলেন, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন তিনি। ফেরি বন্ধ থাকায় লঞ্চে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। তবে ঘাটে যাত্রীদের এত ভিড়, আগে কখনো দেখিনি। এখানে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই। এমন পরস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গোপালগঞ্জগামী লঞ্চ যাত্রী জিয়াউল হাসান কবির বলেন, ঘাটের পন্টুনে লঞ্চ ভেড়ামাত্রই সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিটি লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। ১৫০ জনের লঞ্চে ১৮০ থেকে ২০০ জন যাত্রী নেওয়া হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ বলেন, ঘাটে নতুন করে কোনো যানবাহন আসছে না। অপেক্ষমান গাড়িও নেই। যেসব গাড়ি শিমুলিয়া ঘাটে আসছে, সেগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ইউডি/কেএস

