মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে গেল বৃহৎ বিমানবাহী মার্কিন রণতরী

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে গেল বৃহৎ বিমানবাহী মার্কিন রণতরী

উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ০২ মে, ২০২৬, আপডেট ১১:৪৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া আমেরিকার ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড অবশেষে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চলে গেছে।

শুক্রবার (১ মে) এক মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। জেরাল্ড ফোর্ড চলে গেলেও ওই অঞ্চলে মার্কিনিদের আরও দুটি রণতরী রয়ে গেছে।

জেরাল্ড ফোর্ড বর্তমানে ইউএস ইউরোপিয়ান কমান্ড এরিয়াতে আছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। খবর এএফপির।

তিনি বলেছেন, সবমিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এখনও তাদের ২০টি যুদ্ধজাহাজ আছে। যার মধ্যে রয়েছে রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ।

গত ১০ মাস ধরে সাগরে অবস্থান করছে জেরাল্ড ফোর্ড। এটি মধ্যপ্রাচ্যে আসার আগে ছিল ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে। সেখানকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের আগ পর্যন্ত জেরাল্ড ফোর্ড সেখানেই ছিল।

গত ১২ মার্চ রণতরীটিতে হামলা চালায়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এটির লন্ড্রি রুমে আগুন লাগে। এতে দুজন নাবিক আহত হন। পরবর্তীতে সংস্কার কাজ চালানোর জন্য জেরাল্ড ফোর্ডকে গ্রিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

এছাড়া সাগরে অবস্থানের সময় এটির টয়লেটেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছিল। এতে করে টয়লেটে নাবিক ও সেনাদের দীর্ঘ লাইন ধরতে হয়েছিল।

এদিকে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে স্থায়ী কোন সমাধান দুই দেশের মধ্যে হয়নি।

একদিকে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আটকে রেখেছে। অপরদিকে আমেরিকা ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে।

ইরানে আবারও হামলা চালানোর অনুমোতির জন্য মার্কিন কংগ্রেসকে শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) চিঠি লিখেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন আইন অনুযায়ী, শুক্রবারই যুদ্ধের সময়সীমা শেষ হয়েছে।

১৯৭৩ সালের যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া যে কোনও যুদ্ধের ক্ষেত্রে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত।

এর পরেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এখনও ট্রাম্প তা পাননি। তাই শুক্রবার কংগ্রেসকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রসঙ্গে চিঠিটি লিখেছেন তিনি।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading