ইভ্যালির রাসেলকে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার দাবি

ইভ্যালির রাসেলকে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার দাবি
ইভ্যালি

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২১ । আপডেট ২০:০০

গ্রাহকদের সঙ্গে শত শত কোটি টাকার প্রতারণার দায়ে গ্রেপ্তার হলেও ইভ্যালি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলকে প্রশাসনের নজরদারিতে রেখে ব্যবসা চালানোর সুযোগ চান কিছু মানুষ।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ইভ্যালি মার্চেন্ট ও ভোক্তাবৃন্দ নামের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

অর্ধেক দামে পণ্য দেওয়ার কথা বলে দেড় মাস আগে টাকা জমা নিয়ে গত তিন বছর ধরে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগের মুখে আছে দায়গ্রস্ত ইভ্যালি।

আপাত আকর্ষণীয় তার এই ব্যবসার মডেলে কিছু মানুষের পণ্য বিক্রির পরিমাণ বেড়েছ, আবার কিছু মানুষ কম দামে পণ্য কিনে লাভবান হয়েছে। কিন্তু লাখ লাখ মানুষ টাকা খুইয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন বিনিয়োগের নামে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম টাকার বড় অংশ ব্যয় করে দিয়েছেন পণ্যের মূল্য ছাড়ের পেছনে।

এতে একদিকে স্বাভাবিক ব্যবসার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে; অন্যদিকে দিনে দিনে ঋণের বোঝা বেড়েছে ইভ্যালির। ব্যবসায় নিয়মিত লোকসানে দিয়েও গ্রাহকের টাকায় জৌলুসপূর্ণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেন রাসেল। বিজ্ঞাপন ও প্রমোশনের নামেও নানা বিতর্কিত পথে গ্রাহকের টাকা ঢেলেছেন রাসেল।

এসব কর্মকাণ্ডের সমালোচনা হলে এর জবাবে রাসেল বলতেন, বড় বিনিয়োগকারী এনে এসব দায় শোধ করবেন তিনি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির অস্বাভাবিক দায়ভার দেখে কেউ এখানে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসেনি।

গত জুলাই পর্যন্ত ইভ্যালির কাছে কয়েক লাখ গ্রাহক ও মার্চেন্টের ৫৪৩ কোটি টাকা পাওনা সৃষ্টি হয়েছে বলে রাসেল দাবি করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, প্রকৃত দায় হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি।

এই পরিস্থিতিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর এক পাওনাদারের করা প্রতারণা মামলায় রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। কয়েক দফায় রিমান্ড শেষে এই দম্পতি এখন কারাগারে আছেন।

এদিকে এই গ্রেপ্তারকে দায় এড়ানোর ‘ফন্দি’ হিসাবে আখ্যায়িত করে শুরু থেকেই তাদের মুক্তি জানিয়ে আসছেন এক শ্রেণির ‘পাওনাদার’। তারা প্রকৃত পাওনাদার কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

mashiurjarif

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading