তিন শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম‌্যান

তিন শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম‌্যান

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ২৪ নভেম্বর ২০২১। আপডেট ০৮:২০

রাজশাহী, যশোর ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ শিক্ষা ক্যাডারের তিন কর্মকর্তাকে আলাদা আদেশে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ করে।

আদেশে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক (ইনসিটো) মো. হাবিবুর রহমানকে প্রেষণে নিয়োগ করা হয়। অপরদিকে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. মোহা. মোকবুল হোসেনকে ওএসডি করা হয়।

অপর আদেশে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ করা হয় অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলামকে। শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তা রাজশাহীর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক ইনস্টিটিউশনের পরিচালক হিসেবে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া আরও একটি আদেশে যশোর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ইসলামের ইতিহাসের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীবকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ করা হয়।

অপরদিকে যশোর শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থাকা অধ্যাপক ড. মোল্লা আমির হোসেনকে ওএসডি করা হয়।

আলাদা আদেশে চেয়ারম্যান নিয়োগের শর্তে বলা হয়, নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী চেয়ারম্যান বেতন ভাতা গ্রহণ করবেন এবং তিনি পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে চেয়ারম্যান কোনও বাড়ি ভাড়া ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়ি ভাড়াসহ যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা প্রদান করবেন।

চেয়ারম্যান স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাধ্যতামূলক ভবিষ্য তহবিল, গোষ্ঠী বীমা ও অন্যান্য তহবিল চাঁদা প্রদান করবেন।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তার লিভ স্যালারি ও পেনশনের চাঁদা প্রদান করবেন। সরকারের প্রচলিত ও প্রণীতব্য বিধি-বিধান ও আদেশ অনুসারে তার চাকরি নিয়ন্ত্রিত হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড কেন্দ্র করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ‌্যে ব্যাপক অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছিল। এ ছাড়াও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান মকবুল হোসেনকে নিয়েও নানা অভিযোগ ছড়াতে থাকায় তাকে সরিয়ে নতুন করে কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হলো।

অন‌্যদিকে, যশোর শিক্ষা বোর্ডে জালিয়াতির মাধ্যমে চার ধাপে ৩৮টি চেকে প্রায় সাত কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পায় তদন্ত কমিটি। গত ১৪ নভেম্বর বিকালে তদন্ত কমিটির প্রধান কলেজ পরিদর্শক কে এম রব্বানি বোর্ড সচিবের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

গত ৭ অক্টোবর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অভ্যন্তরীণ হিসাব নিরীক্ষার সময় প্রথম জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এ দিন নয়টি চেক জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি টাকার তথ্য উদঘাটিত হয়। এরপর দ্বিতীয় ধাপে প্রায় ১৬ লাখ টাকা, তৃতীয় ধাপে দুই কোটি ৪৩ লাখ টাকা ও সর্বশেষ উদঘাটিত হয় আরও প্রায় এক কোটি ৮৩ লাখ টাকার জালিয়াতির তথ্য পাওয়া যায়।

mashiurjarif

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading