ইভ্যালি: নিলামে সাতটি গাড়ি থেকে আয় হলো প্রায় তিন কোটি টাকা
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ । আপডেট ১৮:৪৫
বন্ধ হয়ে যাওয়া বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সাতটি গাড়ি নিলামে বিক্রি করে প্রায় তিন কোটি টাকা আয় হয়েছে। এই টাকা ইভ্যালির গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধে কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান চেয়ারম্যান বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী। ইভ্যালিতে হাই কোর্টের গঠন করে দেওয়া পরিচালনা পর্ষদ বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গাড়িগুলো নিলামে তুলেছিল।
নিলামের তালিকায় ছিল একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রায়াস, একটি টয়োটা সিএইচআর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস। এসব গাড়ির মোট ন্যূনতম মূল্য ঘোষণা করা হয়েছিল ২ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। নিলামে ২ কোটি ৯০ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উঠেছে গাড়িগুলোর দাম।
নিলামে রেঞ্জ রোভার গাড়িটি ১ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, টয়োটা প্রায়াসটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকায়, টয়োটা সিএইচআরটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার টাকায়, টয়োটা এক্সিওটি ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়, অন্য এক্সিওটি ১৫ লাখ টাকায়, হোন্ডা ভেজেলটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকায় এবং টয়োটা মাইক্রোবাসটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।
নিলাম শেষে শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, যা মূল্য পেয়েছি, আমরা তাতে আমরা মোটামুটি স্যাটিসফায়েড। কারণ ভিত্তি মূল্যের চেয়ে অনেক উপরে পাওয়া গেছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির কাছে পণ্য সরবরাহকারী ও কয়েক লাখ ক্রেতার পাওনা রয়েছে পাঁচশ কোটি টাকারও বেশি।
শামসুদ্দিন বলেন, আমরা শুরু থেকেই চেষ্টা করছি ইভ্যালির পুঁজি বাড়ানোর। বাড়ি ভাড়া বাবদ খরচ, কর্মচারীর বেতন, অন্যান্যরা পাওয়নাদার আছেন। ক্রেতা, সরবরাহকারীরা পাওনাদার আছেন। পয়সাগুলো ই-ভ্যালির অ্যাকাউন্টে যাবে। সব পাওনাদারদের জন্য এই পয়সাগুলো। পুঁজি বাড়লে পাওনাদারদের যথাসম্ভব পাওনাগুলো দেওয়া যাবে।
ইউডি/সুপ্ত

