ইউক্রেইন-রাশিয়া সংকটে যুদ্ধ শুরু হলে পুরোদস্তুর বিপর্যয় ঘটবে: বরিস জনসন
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ । আপডেট ২০:০০
বর্তমানে ইউক্রেইন-রাশিয়া সংকট ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তে’পৌঁছেছে বলে সতর্ক করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ হলে তা ‘পুরোদস্তুর বিপর্যয়’ ডেকে আনবে।
ইউক্রেইন-রাশিয়া সংকট নিয়ে বিবিসি-র এক প্রশ্নের জবাবে বরিস জনসন বলেন, ইউক্রেইনের হাতে এখন ‘বিশাল এক বাহিনী আছে’, যেখানে প্রায় দুই লাখ সেনা রয়েছে। এটা আমার কথা, আর সেখানে লড়াইয়ের বিষয়টি বিচার-বিবেচনা করে দেখাটা নিশ্চিতভাবেই নেটোর বলে আমি মনে করি। আমি শুধু জোর দিয়ে এটাই বলতে চাই, যদি যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং ইউক্রেইনের মাটিতে বড় ধরনের রক্তক্ষয় হয়, তবে পুরোদস্তুর বিপর্যয় ঘটবে।
তিনি বলেন, ‘এমন একটি যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাদের রক্ত ঝরানো আসলেই বিচক্ষণতার পরিচয় হবে কিনা, যে যুদ্ধ বিপর্যয়কর হবে বলেই আমি মনে করি।” বরং সেখানে ‘আলোচনার দারুণ সুযোগ আছে’ বলে ব্রাসেলসের সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য শেষ করেন জনসন। নেটো প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে যান।
ইউক্রেইন সীমান্তে রাশিয়ার এক লাখ সেনা মোতায়েন এবং ট্যাঙ্ক ও ভারি অস্ত্রশস্ত্র জড়ো করা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিশ্ব রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে আছে। রাশিয়াকে রুখতে আমেরিকাও ব্রিটেন থেকে ইউক্রেইনে সামরিক সহায়তা পাঠানো হয়েছে। আমেরিকানেতৃত্বাধীন নেটো বাহিনীও ইউক্রেইনকে সহায়তার জন্য প্রস্তুত আছে। যদিও রাশিয়া বলছে, ইউক্রেইনে আগ্রাসনের কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই।
কিন্তু গত মঙ্গলবার কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার তিনটি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি সে কথা বলছে না। রাশিয়ার আরও তিনটি যুদ্ধজাহাজ বসফোরাস প্রণালী অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের কর্মকর্তারা। পূর্বপরিকল্পিত মহড়ার অংশ হিসেবেই এসব জাহাজ সেখানে গেছে বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স। তাছাড়া, ইউক্রেইন ঘিরে রাশিয়ার সামরিক তৎপরতার নানা আলামত পাওয়া যাচ্ছে। বেলারুশকে নিয়ে ১০ দিনের সামরিক মহড়াও শুরু করেছে রাশিয়া।
ইউডি/সুপ্ত

