র্যাবের সাবেক ও বর্তমান ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: সরকারের উদ্যোগ ও করণীয়
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ । আপডেট ১৩:১৫
‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগে র্যাবের সাবেক ও বর্তমানসহ সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত বছরের ডিসেম্বরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। দেশটির অর্থ দপ্তর ও পররাষ্ট্র দপ্তরের দেয়া ওই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার পর এবার দেশটিতে আইনজীবী নিয়োগের কথা ভাবছে সরকার। বিস্তারিত লিখেছেন মিলন গাজী
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আমেরিকা ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ও বর্তমান পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমদসহ র্যাবের ৭ কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তখন থেকেই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা-সমালোচনার জš§ দেয় এই ঘটনা। সরকার এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে আসছিলো শুরু থেকেই। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছিলেন কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার প্রধানকে যুক্ত করা আমেরিকার নতুন একটা ঢং। তিনি এই নিষেধাজ্ঞা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছিলেন। নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিক্রিয়ায় ঢাকায় আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে তলব করে সরকারের অবস্থান জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠিও দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এবার সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আইনজীবী নিয়োগ করার কথা ভাবছে সরকার। সোমবার (১৪ ফেব্র“য়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।
আইনজীবী নিয়োগ করবে সরকার: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনজীবী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। সোমবার (১৪ ফেব্র“য়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে পিআর ফার্ম, লবিস্ট ও আইনজীবী নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে আমেরিকা বাংলাদেশের দূতাবাস গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। সংসদীয় কমিটি লবিস্ট নিয়োগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সেটা নিয়ে কাজ করছে। এর বাইরে পিআর ফার্ম, আইনজীবী নিয়োগের কথাও বলেছে। আমরা এ বিষয়ে বলেছি, যা যা করার করুক। দরকার হলে বাজেট বাড়িয়ে নিক। ফান্ড লাগলে বলুক। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের যে জায়গায় আছে, সেখানে এধরনের অনেক কথাবার্তা আসবে।
আইনজীবী আমেরিকায় কী করবেন: আইনজীবী আমেরিকায় কী করবেন জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, ওদের অর্থ দপ্তর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেখানে আমাদের বা যাদের ভিসা বাতিল করেছে, তাদের বক্তব্য নেয়নি। কারণ দর্শানোর নোটিসও দেয়নি। তাদের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার জন্য আইনজীবী নিয়োগ করা হবে।
আমেরিকা বাংলাদেশকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছে: এছাড়া কার্যপত্রে আমেরিকা-বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে মন্ত্রণালয় বলেছে, শ্রম আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে আমেরিকা বাংলাদেশকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছে বলে প্রতীয়মান। আমেরিকা জিএসপি সুবিধা বাতিল করার পরে বাংলাদেশ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আমেরিকা বাংলাদেশের জন্য পুনরায় সে সুবিধা চালু করেনি। এতে বলা হয়, বিগত ২০ বছরে বাংলাদেশ আমেরিকার মধ্যে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে কোনও দ্বিপক্ষীয় সফর হয়নি। তবে এ বছর বাংলাদেশ আমেরিকা সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে উচ্চপর্যায়ের সফর আয়োজনের জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এদিকে ভবিষ্যতের জন্য এরকম নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে সতর্ক থাকার জন্য বলেছে সংসদীয় কমিটি।
ভবিষ্যতের জন্য তৎপর হতে হবে: কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, আমেরিকা একটা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এরকম আরও আসতে পারে। দেখা গেল ইউরোপীয় ইউনিয়নও দিল। এজন্য আগে থেকে তৎপর হতে হবে। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে স্বরাষ্ট্র, বৈদেশিক কর্মসংস্থানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়: আইনজীবী নিয়োগের উদ্যোগ দেশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে খুবই প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আমেরিকার এমন আচমকা নিষেধাজ্ঞা দেশের এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য খুবই দুঃখজনক ছিলো। এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা গেলে বহিবির্শ্বে দেশের অবস্থান আরও সুস্পষ্ট হবে। তাছাড়া র্যাবের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আসলে কতটা যৌক্তিক সেটাও ভেবে দেখা দরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার সেই কথাটাই বলা হচ্ছে যে মানবাধিকার লঙ্ঘনেরন এমন অভিযোগ র্যাবের বিপক্ষে বেমানান।
অভিযোগ পেলেই তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে: বিশ্লেষকরা বলছেন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে শুধু বিদেশি অভিযোগই নয় দেশেও যতগুলো অভিযোগ হচ্ছে বা হবে সেগুলোর যথাযথ তদন্ত হওয়া জরুরী। তাতে যারা এ ধরনের কর্মকা আসলেই করছে তারা নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করবে। এছাড়া ব্যক্তি কিংবা সংস্থা যাদের ওপর অভিযোগ আসবে এবং তা প্রমাণিত হবে তাদেরকে যথাযথ আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। তাতে দেশে তো বটেই বহিবির্শ্বেও দেশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন থাকবে।
বন্ধুরাষ্ট্রদের হস্তক্ষেপ কাজে লাগানো দরকার: আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা কাটাতে বাংলাদেশ ও দেশটির অভিন্ন বন্ধুদের কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। এ বিষয়ে ফারুক খান বলেন, জাপান, ইন্ডিয়া, ব্রিটেন, সৌদি আরবের আমাদের বন্ধু। এই দেশগুলোর সঙ্গে আমেরিকারও ভালো সম্পর্ক। তাদের এই স্যাংশনের বিষয়ে কাজে লাগানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছি। মন্ত্রণালয় এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এছাড়া সংসদীয় কমিটি বলেছে, বিভিন্ন দেশে নিখোঁজ হওয়া বা গুম বিষয়ে কোনও বৈশ্বিক ইনডেক্স থাকলে তা সংগ্রহ করতে হবে। অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান কোন জায়গায় তা নির্ধারণ করতে হবে। ফারুক খান বলেন, আগামী এপ্রিলে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেটের মধ্যে মিটিং হবে। এর আগে মার্চে তিনটি সংলাপ হবে। এসব জায়গায় নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য বলেছি। যদি দরকার হয় সংসদীয় কমিটিও যাবে। এছাড়া আমেরিকা বাংলাদেশের মতো অন্য দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কিনা, তা আগামী বৈঠকে বিস্তারিত উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মো. আব্দুল মজিদ খান, মো. হাবিবে মিল্লাত এবং নাহিম রাজ্জাক অংশ নেন।
নিষেধাজ্ঞার কারন হিসেবে যা বলেছে আমেরিকা: আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ২০১৮ সালে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হককে ‘বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যার মত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সম্পৃক্ততরার জন্য’ তাদের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত হওয়ায় বেনজীর আহমদ ও মিফতা উদ্দিন আহমেদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা আমেরিকায় প্রবেশাধিকার পাবেন না বলে ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
আর আমেরিকার অর্থ দপ্তর ম্যাগনিটস্কি অ্যাক্টের আওতায় যে ১৫ ব্যক্তি ও ১০ প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে, সেখানে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাব, এর সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ এবং সাবেক ও বর্তমান আরও পাঁচ কর্মকর্তার নাম।
ওই পাঁচ কর্মকর্তা হলেন: র্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স খান মোহাম্মদ আজাদ, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স তোফায়েল মুস্তাফা সরওয়ার, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অপারেশন্স মোহাম্মদ আনোয়ার লতিফ খান। দেশটির অর্থ দপ্তর বলছে, র্যাব “গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী, সহযোগী বা পরোক্ষভাবে জড়িত।” আর র্যাবের ছয় কর্মকর্তার বিষয়ে সেখানে বলা হয়েছে, তারা র্যাবের নেতৃত্বে বা কর্মকর্তা হিসাবে আছেন বা ছিলেন। তাদের দায়িত্ব পালনের সময় র্যাব বা এর সদস্যরা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে আমেরিকায় তাদের কোনো সম্পদ থেকে থাকলে তা অবরুদ্ধ করা হবে। আমেরিকার নাগরিকরা তাদের সঙ্গে লেনদেন করতে পারবেন না।
অর্থ দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে র্যাবের মাধ্যমে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ’ রয়েছে, যা আইনের শাসন, মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ‘খাটো করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলেছে’। এতে বলা হয়, “বেসরকারি সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে, র্যাব ও বাংলাদেশের অন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ২০০৯ সাল থেকে ছয় শতাধিক গুম এবং ২০১৮ সাল থেকে প্রায় ছয়শ বিচারবহির্ভূত হত্যাকা ও নির্যাতনের জন্য দায়ী ।
ব্লিংকেন-মোমেনের ফোনালাপ ও চিঠি: এদিকে, এর আগে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপের বিষয়গুলো ‘পুনর্ব্যক্ত’ করে ওই চিঠি লিখেছিলেন তিনি। চিঠির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তখন জানিয়েছিলেন, উনাকে বললাম, এই বিষয়টা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। আমরা সেই কথাটাই চিঠিতে লিখেছি, যে জিনিসটা উনার সাথে আলাপ হয়েছে, সেটা নিয়ে। ফোনালাপের পরপরই চিঠিটি তৈরি করা হয়েছিল। এরপর বছরের শেষ নাগাদ তা পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানিয়েছিলেন, আমাদের আলাপটা পজিটিভ ছিল। উনি বলেছেন, অনেক ল মেকার এটা ম্যানডেট করেছে, পরে সিদ্ধান্তটা হয়েছে। আমরা বললাম, বিভিন্ন ব্যাপারে আপনাদের সাথে আমাদের ৫০ বছরের সম্পর্ক। বেশ উত্তম সম্পর্ক। বিভিন্ন ডায়ালগের সুযোগ আছে। আমরা কোনো কিছু না জেনে হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিত এই সিদ্ধান্ত জেনে আমরা বিস্মিত হয়েছি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান, এটাও বললাম, র্যাব একটি ক্রেডিবল অর্গানাইজেশন, এদের কারণে সন্ত্রাস কমেছে। এদের কারণে ড্রাগ মোটামুটি নিয়ন্ত্রিত, মানব পাচারও নিয়ন্ত্রিত- যেটা তাদেরও নীতি।
মানবাধিকার প্রশ্নে সরকারের সোচ্চার থাকার কথা চিঠিতে তুলে ধরার কথা জানিয়ে মোমেন জানান, এ ব্যাপারে আমাদের কোনো ছাড় নাই। এমনকি র্যাবের যারা কিছু বাজে কাজ করেছে, তাদের শাস্তি হয়েছে। শক্তিশালীদের ক্ষেত্রেও আইন ছিল অন্ধ। আমরা সে কথাই লিখেছি উনাকে।ওই সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে কি-না, সেটা তাদের বিষয়। আমরা সরাসরি বলিনি, প্রত্যাহার করো। আমরা বলেছি র্যাব ভালো প্রতিষ্ঠান, তারা তাদের সিদ্ধান্ত পুনঃপরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে।

