২ মার্চ পতাকা ওড়ানোর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের কবর রচিত হয়েছিল: ঢাবি উপাচার্য
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২ মার্চ ২০২২ । আপডেট ১৭:৫০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, একাত্তরের ২ মার্চ বটতলায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা ওড়ানোর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের কবর রচিত হয়েছিল। বুধবার (২ মার্চ) ‘জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আখতারুজ্জামান বলেন, এই পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্রের কবর রচিত হয় এবং বাংলাদেশ নামক জাতি রাষ্ট্রের উন্মোচন হওয়ার দ্বার খুলে গিয়েছিল। পতাকাকে একটি রাষ্ট্র গঠনের ‘অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান’ হিসেবে বর্ণনা করে উপাচার্য বলেন, পতাকায় সে রাষ্ট্রের ভৌগোলিক প্রতিফলন থাকবে৷ তৎকালীন ইকবাল হলে (বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) তৈরি লাল সবুজের মাঝে আঁকা বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত পতাকা মূলত আমাদের মাঝে নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।
সেদিনের ইতিহাস স্মরণ করে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ৭০ এর নির্বাচনের পর সাধারণ অধিবেশন বসার কথা থাকলেও পহেলা মার্চ ইয়াহিয়া খান তা স্থগিত করে দেয় ৷ তারই পরিপ্রেক্ষিতে ২ মার্চ ছাত্র জনতা বিক্ষোভ শুরু করে এবং সেদিন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রবের নেতৃত্বে এই বটতলায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়৷
উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, পতাকা উত্তোলন কোনো তাৎক্ষণিক বিষয় ছিল না। একাত্তরের ২ মার্চের প্রায় ছয় মাস আগেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি পতাকা প্রস্তুতের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তার আলোকে পতাকার ডিজাইন হয় এবং তৎকালীন ইকবাল হলে পতাকাটি তৈরি করে রেখে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু তখন বলেছিলেন যে একটি মোক্ষম সময়ে তার নির্দেশে পতাকাটি উত্তোলন করা হবে৷ তারই ধারাবাহিকতায় ২ মার্চ এ কলা ভবনের সামনে পতাকাটি উত্তোলন করা হয়।
ইউডি/সুপ্ত

