দেশে পর্যটন অর্থনীতি: সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

দেশে পর্যটন অর্থনীতি: সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ ২০২২ । আপডেট ১২:১৭

বিশ্বে কোনো দেশের অবস্থা-সংস্কৃতি জানান দেয়ার সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে পর্যটন। এই খাতে নজর দিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বের বহুদেশই নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। শুধু তাই নয় পর্যটন খাতকে বিকশিত করে অর্থনৈতিকভাবে নতুন দিগন্তও উন্মোচন করেছে। বাংলাদেশও এই খাতে নজর দিয়েছে। দেশের পর্যটন স্পটগুলোকে আরও আকষর্ণীয় করে এই খাতকে অর্থনীতির নতুন চাবিকাঠি হিসেবে গড়ার লক্ষ্য সরকারের। বিস্তারিত লিখেছেন আসাদুজ্জামান সুপ্ত

আজকের সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, হংকং কিংবা মালয়েশিয়ার দিকে তাকালে বোঝা যায় পর্যটন খাত একটি দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। গোটা বিশ্বের কোটি কোটি পর্যটক এসব দেশগুলোতে সারাবছর জুড়েই ভীড় করে। আর এসব দেশ শুধু নিজেদের দেশ তথা সংস্কৃতিকেই বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছে না তারা অর্থনৈতিকভাবে চাঙ্গা হচ্ছে দিনকে দিন। ২০১৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্ব অর্থনীতিতে পর্যটন অবদান রাখে ৮ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্ব জিডিপিতে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ অবদান। এই শিল্পের সঙ্গে সমগ্র বিশ্বে ৩৩০ মিলিয়ন মানুষ কর্মরত রয়েছে। সমগ্র বিশ্বে ১৫০ কোটি পর্যটক রয়েছে। অতএব প্রতি সাত জনে একজন পর্যটক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশও এখন নজর বাড়াচ্ছে পর্যটন খাতে। সাগর, পাহাড়, বন, নদী বিস্তৃত বাংলাদেশে পর্যটনের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনাকেই কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে নতুন দিগন্তের খোঁজে সরকার।

নতুন দিগন্তে প্রয়োজন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ: বিদেশি পর্যটকদের মাঝে আরও ভালোকরে দেশের পর্যটন স্পটগুলোকে আকর্ষণীয় করার জন্য প্রয়োজন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের। সরকার বারবার বলছে, এ জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। পর্যটনসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশে এক হাজার ১৯২টি পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। প্রায় এক কোটি পর্যটক এসব কেন্দ্র ভ্রমণ করে থাকেন। যার মধ্যে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা পাঁচ লাখের মতো। পর্যটন খাতের উল্লেখযোগ্য সমস্যা হলো অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। সেখানে পর্যটকদের জন্য মোটামুটি সুযোগ-সুবিধা থাকলেও এর বাইরে দেশের সব জায়গায় বেহাল অবস্থায় রয়েছে।

সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেবে সরকার: দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে কাজ করার সুযোগ দিতে বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বুধবার (৯ মার্চ) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এসব খাতে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে। তবে তাদের কাজ করতে যেনো কোনো সমস্যা না হয়, সেটিও দেখতে হবে। তাদের নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশ অপরূপ সৌন্দর্যের দেশ। আমাদের পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং সেগুলো পরিচ্ছন্ন করতে পারলে অনেকেই দেশে ঘুরতে আসবে।

পর্যটন বিকশিত হচ্ছে না দুই কারণে: পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পর্যটন দুটি কারণে এটা বিকাশ হচ্ছে না- একটা সাংস্কৃতিক অন্যটি প্রাকৃতিক। আমাদের অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ আছে এগুলো সুরক্ষা করতে হবে। পর্যটন বিকাশে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, বছরখানেক আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে থেকে বলেছিলেন রাতারগুল, বিছনাকান্দি, টাঙ্গুয়ার হাওড় ও জাফলংয়র মতো পর্যটনকেন্দ্রের পরিকল্পনা তৈরি করতে। আমাদের নাগরিকরা এখানে যায়। এটার উন্নয়ন খুবই জরুরি। তিনি আরও বলেন, পর্যটন নিয়ে ভয়ংকর কিছু চিত্র দেখলাম। নারী যায়, পুরুষ যায় তারা বসার জায়গা পায় না। টয়লেট সুবিধা পায় না। আমরা পর্যটনের বেসিক অবকাঠামো করে দেব। বাকি কাজগুলো যেমন চা শিঙাড়ার দোকান বেসরকারি খাতকে দিয়ে দিতে হবে। আমরা এগুলো চালাতে পারব না।

ট্যুরিজমের জন্য বাংলাদেশ সম্ভাবনাময় দেশ: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ট্যুরিজমের জন্য বাংলাদেশ সম্ভাবনাময় দেশ। প্রতি বছর শীতে আমাদের দেশে অতিথি পাখি আসে। যদি শুধুমাত্র গরমের জন্যই অতিথি পাখি আসত, তাহলে তারা দুবাই যায় না কেন? তারা বাংলাদেশে আসে আমাদের মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির জন্য। সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত কী নেই আমাদের। প্রকৃতিতে যা যা দরকার, বাংলাদেশে সবই আছে। দেশের পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পর্যটনের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ চলছে।

খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: মাহবুব আলী গত মাসে (ফেব্রুয়ারি) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে ব্যাপক আকারে বিকাশের জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে। পর্যটন খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। মাহবুব আলী বলেন, দেশের সব পর্যটন স্পটের উন্নয়ন করে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। বিশ্বের এমন অনেক দেশ রয়েছে, যাদের অর্থনৈতিক অন্যতম চালিকাশক্তি পর্যটন খাত। কিন্তু এসব দেশের চেয়েও বেশি পর্যটন সমৃদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আমাদের পর্যটন শিল্প বিকাশ হচ্ছে না। ভবিষ্যতে আমাদের পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক শক্তি জোরদার করতে সহায়ক শক্তি হয়ে উঠবে।

৫১ দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবে: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো গতিশীল করতে ও ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরিতে এ শিল্পের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বর্তমানে পৃথিবীর চারটি কর্মসংস্থানের মধ্যে একটি তৈরি হয় পর্যটন খাতে। বর্তমানে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে আয় প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৫১টি দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবে, যা মোট জিডিপির ১০ শতাংশ অবদান রাখবে।

বিপুল রাজস্ব আয়ের বড় উৎস হতে পারে: পৃথিবীর বৃহত্তর প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার বাংলাদেশে অবস্থিত। তদুপরি রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। সুন্দরবন ও কক্সবাজার পর্যটন শিল্প বিকাশের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। অপার নৈসর্গিক সৌন্দর্য, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শনসমৃদ্ধ বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রচুর পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। ফলে এখান থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজস্ব খাতে এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে জায়গা করে নেয়াসহ ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে পূর্বের তুলনায় বিভিন্ন পর্যটক আকর্ষণীয় স্থানে ভ্রমণের সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের একক বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। কক্সবাজার ও সুন্দরবনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক স্থান পর্যটক আগমন বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনয়নসহ দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে এতে কোনো সংশয় নেই। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন ও ভ্রমণ খাতের অবদান ২ দশমিক ২ শতাংশ। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ খাতের অবদান ১ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৮ সালে পরোক্ষ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে মোট কর্মসংস্থানের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ এসেছে পর্যটন খাত থেকে। ২০১৯ সালে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিদেশে গিয়েছেন সাড়ে ছয় লাখ বাংলাদেশি। বিপরীতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে, ২০১৯ সালে এদেশে বিদেশি পর্যটক এসেছেন মাত্র ২ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন। কিন্তু প্রতিবছর ১০০ কোটির বেশি পর্যটক সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেন। বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশিরা কমপক্ষে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা খরচ করে আসছেন। এর বিপরীতে বাংলাদেশে আসছে মাত্র ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

নানামুখী উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার: কক্সবাজারে পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণে ২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশে পর্যটন শিল্পকে বড় শিল্পখাত হিসেবে দাঁড় করাতে হলে দীর্ঘমেয়াদি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। উন্নতমানের আকর্ষণীয় ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পারলে বিদেশি পর্যটক দেশে প্রচুর আসবে। পর্যটকরা কেনো সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়া যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সব চেয়ে বড়। দ্বিতীয়ত: আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। বিনোদনের সুন্দর ও নতুন নতুন আইটেম। অনুরূপ আকর্ষণীয় বিনোদনমূলক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারলে পর্যটক আসবে।

প্রচার-প্রচারণাও চালাতে হবে গুরুত্বের সঙ্গে: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সীমিত পর্যায়ে সাধ্যমত বিদেশে প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছে বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্রসমূহ আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য। আমাদের হোটেল-মোটেলগুলো আন্তর্জাতিক মানের এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধানে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার ঘাটতি নেই। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, প্রিন্ট মিডিয়া পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশি-বিদেশি ও ট্যুর অপারেটরদের সাথে সম্পর্ক জোরদার করে বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণ সমূহের দ্বার প্রতিনিয়ত উন্মোচন করার দিকটি ভাবতে হবে

পর্যটনশিল্পে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানমুখী: বৈশ্বিক পর্যটনশিল্পে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানমুখী। বাংলাদেশে পর্যটন আকর্ষণগুলোর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, মিঠামইন হাওর, সিলেটের চা-বাগান, রাতারগুল, বিছানাকান্দি ও পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন, কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়। কোরাল আইল্যান্ড সেন্টমার্টিন, রামুর বৌদ্ধমন্দির, হিমছড়ির ঝরনা, ইনানী সমুদ্রসৈকত, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ, টাঙ্গুয়ার হাওর ও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ পাহাড়ি অঞ্চল দেখে পর্যটকরা আত্নভোলা হয়ে যায়। আবার আমাদের দেশে অনেক ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে বগুড়ার মহাস্থানগড়, নওগাঁর পাহাড়পুর, দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দির, ঢাকার লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার, রাজশাহীর বরেন্দ্র জাদুঘর, কুষ্টিয়ার লালন সাঁইয়ের মাজার, রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি শুধু দেশি ও বিদেশি পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছেও সমান জনপ্রিয় ও সমাদৃত।

৪৭টি জেলায় পর্যটনকেন্দ্র করা হচ্ছে: দেশের পর্যটন খাত নিয়ে গতানুগতিক ধারণা পাল্টে দিতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। পর্যটনকে শুধু কক্সবাজার কিংবা পার্বত্য জেলায় সীমাবদ্ধ না রেখে সারা দেশে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ‘গ্রামীণ পর্যটন’ প্রকল্পের অধীনে ৪৭টি জেলার সম্ভাবনাময় স্থানে কয়েক শ পর্যটনকেন্দ্র করা হচ্ছে। সব পর্যটনকেন্দ্রে সুযোগ-সুবিধা, সেবার মান এবং যোগাযোগব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা পল্লি অঞ্চলের দারিদ্র্য দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আমাদের দেশ সবুজ। সবুজকে সবাই ভালবাসে। এই সবুজের সঙ্গে কিন্তু বিনোদন যোগ করতে পারলে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে। আর এতে করে আমাদের দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে।

Asadujjaman

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading