দেশের জিডিপি দক্ষিণ এশিয়ার সর্বনিম্ন, দুই বছর কঠিন যাবে: অর্থমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ। বৃস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ২০২৬, আপডেট ২২:০০
বাংলাদেশের জিডিপি দক্ষিণ এশিয়ার সর্বনিম্ন উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আগামী দুই বছর কঠিন যাবে। এই কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে হলে অনেক অপ্রিয় ও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে সরকারকে।” পরিস্থিতি সামাল দিতে আগামী দুই বছর অর্থনৈতিক সুরক্ষা বা সেফটি মার্জিন চেয়েছেন তিনি। ২০০৫ সাল থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকলে ডিজিপি ভারতের উপরে চলে যেতো বলেও সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এসব কথা জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে— এর দুই-চারটা পরিসংখ্যান জানা দরকার। আমাদের সবার জানা দরকার, জনগণের জানা দরকার, আমাদের বিরোধী দলের বন্ধুদের জানা দরকার। এই কারণে আমাদের আপনাদের সহযোগিতা লাগবে দেশটি তো আমাদের সবার। দেশ আমাদের সবার এবং আমরা সবাই অনেক আশায় এখানে এসেছি।”
দেশের অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক কিছু চিত্র আমি তুলে ধরছি আপনাদের। যে জিডিপি ট্যাক্সের সঙ্গে জিডিপি ট্যাক্স এবং প্রবৃদ্ধির যে সংখ্যা সেখানে এখন ৭ শতাংশের নিচে নেমে এসেছি। এটা দক্ষিণ এশিয়াতে সর্বনিম্ন এবং বিশ্বের প্রায় সবগুলো দেশের মধ্যেও সর্বনিম্নের দিকে আছে। বিএনপি যখন ক্ষমতা ছেড়ে আসছিল ২০০৫-০৬ সালে ট্যাক্স এসেছিল ১০ শতাংশ। ক্রমান্বয়ে প্রবৃদ্ধি হচ্ছিলো— হয়তো বিএনপি অব্যাহতভাবে (ক্ষমতায়) থাকলে ভারতের ওপরেও চলে যেতো।”
বর্তমানে দারিদ্রের হার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “দারিদ্রের হার ২০২২ সালে ছিল ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ, ২০২৩ সালে ছিল ১৯ শতাংশ, ২০২৪ সালে ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ ২০২৫ সালে দারিদ্রের হার হচ্ছে পিপিআর অনুসারে ২৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এই মুহূর্তের দারিদ্রের হারে কোথায় আছি এটা আমাদেরকে অনুধাবন করতে হবে। মানে যেটা নিম্নগতি ছিল— দারিদ্রের হার এখন উপরের দিকে উঠছে। এভাবে বেসরকারি খাতের ঋণ অর্থাৎ বেসরকারি খাতের ঋণ যত বাড়বে তাতে উৎপাদন বাড়বে, বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে।
ইউডি/এবি

