আলোচনা-সমঝোতার পথ কী শেষ? : ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা

আলোচনা-সমঝোতার পথ কী শেষ? : ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা

উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১৩ মার্চ ২০২২ । আপডেট ১২:১৫

দফায় দফায় আলোচনায় বসলেও কোনো সমঝোতার মধ্যে আসতে পারেনি রাশিয়া-ইউক্রেন। উল্টো রাশিয়ার হামলা আরও ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের ১৭তম দিনে রাশিয়ান সেনাদল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ঘিরে হামলা শুরু করেছে। অন্যদিকে রাশিয়ার সীমান্ত ঘেঁষা চারটি দেশে সৈন্য পাঠিয়েছে আমেরকিা। ইউক্রেনও বলছে তারা মোকাবিলায় প্রস্তুত। বিস্তারিত লিখেছেন মিলন গাজী

বেলারুশে তিন দফা আলোচনায় কোনো ফল আসে নি। তুরষ্কেও বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয়। ওই বৈঠক ঘিরে অনেক জল্পনা-কল্পনা উঁকি দিচ্ছিল। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছিলেন। বিশ্ববাসীও এক শান্তির বার্তার অপেক্ষায় ছিলো। কিন্তু সব জল ঘোলা করে ইউক্রেনে হামলার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে পুতিনের সেনাদল। শুধু তাই নয় তারা ইতোমধ্যেই দেশটির রাজধানী কিয়েভ ঘিরে ভয়াবহ হামলা শুরু করেছে। বেশিরভাগ রুশ সেনা এখন রাজধানী কিয়েভের কেন্দ্র থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে। স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে স্পষ্ট কিয়েভের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর দিকে ভারী গোলাবর্ষণের দৃশ্য। শনিবার (১২ মার্চ) যুদ্ধের ১৭তমদিনে ইউক্রেনের রাজধানীকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে পুতিনের বাহিনী। শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ‘মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম’ (এমএলআরএস)-এর ক্ষয়ক্ষতি করার ক্ষমতা মারাত্মক। গত একদিনে কিয়েভের নানা আবাসিক এলাকায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণেরও সংবাদ এসেছে। কিয়েভ শহরের তিন দিক ঘিরে মোতায়েন রাশিয়ার ট্যাঙ্ক বহরও শহর দখলের চূড়ান্ত যুদ্ধে নেমে পড়েছে। খবর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার।

ইউক্রেনের উত্তর-দক্ষিণের আরও তিন শহর দখলে: কিয়েভের দক্ষিণে ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমান ক্ষেত্রের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ভাসিলকিভ শহরের মেয়র জানিয়েছেন, এই হামলায় রানওয়ে এবং তেলের ডিপো ধ্বংস হয়ে গেছে, একই সঙ্গে পাশে অস্ত্র এবং গোলাবারুদের গুদামেও বিস্ফোরণ ঘটেছে। ইউক্রেনের আরেকটি উত্তরাঞ্চলীয় শহর চেরনিহিভ এখনো অবরুদ্ধ, সেখানে তীব্র গোলাবর্ষণ হয়েছে। শহরে কোন পানির সরবরাহ নেই, একটি অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইকোলেভ, যেটি রুশ অধিকৃত শহর খেরসান এবং ইউক্রেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ওডেসার মাঝামাঝি, সেখানেও তীব্র গোলাবর্ষণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়েছে কিয়েভের উত্তরে বেশিরভাগ রুশ সেনা জড়ো হয়েছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, বেশিরভাগ রুশ সেনা এখন কিয়েভের উপকণ্ঠ পর্যন্ত চলে এসেছে।

অধৈর্য হয়ে উঠছেন পুতিন: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ক্রমশ অধৈর্য হয়ে উঠছেন, সেটা স্পষ্ট। রাশিয়া যে এই সংঘাতের নতুন একটা পর্যায়ে প্রবেশ করছে, সেটাও স্পষ্ট। কারণ কিয়েভকে ঘিরে তারা বিপুল সমরাস্ত্র জড়ো করেছে- আর্টিলারি, রকেট লঞ্চার, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র- সব ধরণের সমরাস্ত্র। ইউক্রেন দখলের জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিন কোন কিছুই বাদ রাখবেন না। ইউক্রেন ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিচ্ছে, এটা দেখার চাইতে তিনি বরং তার প্রতিবেশী দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়াও মেনে নেবেন। খবর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার।

প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকাও, পাঠিয়েছে সেনা: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্তবর্তী লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও রোমানিয়ায় ১২ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার হাউজ ডেমোক্রেটিক ককাসে দেয়া ভাষণে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধে জয়ী হবেন না রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বাইডেন বলেছেন, রাশিয়ার সামরিক হামলার ঘটনায় ইউক্রেনের জনগণ উল্লেখযোগ্য সাহসিকতা ও বীরত্বের প্রমাণ দিচ্ছেন। আমেরিকার পক্ষ থেকে দেয়া নিরাপত্তা সহযোগিতা দেশটির প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ন্যাটো ভূখণ্ডের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের: মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আমরা ইউক্রেনকে যখন সহযোগিতা দিচ্ছি, একই সময়ে ইউরোপে আমাদের মিত্রদের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো অব্যাহত রাখব। আমরা একটি দ্ব্যর্থহীন বার্তা পাঠাচ্ছি যে, আমরা ন্যাটো ভূখণ্ডের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এই কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্তবর্তী লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও রোমানিয়ার মতো দেশে আমি ১২ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করেছি। স্বীকার করছি, আমরা যদি রুশ হামলায় পাল্টা পদক্ষেপ নেই তাহলে তা হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। কিন্তু ন্যাটো ভূখণ্ড রক্ষার একটি পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে। যদিও ইউক্রেনে আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করতে চাই না।

রাসায়নিক হামলা চালালে চড়া মূল্য দিতে হবে: রাসায়নিক অস্ত্রের মজুত নিয়ে কয়েক দিন ধরেই একে অন্যকে দোষারোপ করে আসছে রাশিয়া ও আমেরিকা। আমেরিকা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, রাশিয়া ইউক্রেনে রাসায়নিক হামলা চালাতে পারে। অন্যদিকে রাশিয়া বলছে, ইউক্রেনকে রাসায়নিক অস্ত্র বানাতে অর্থায়ন করছে আমেরিকা। এসবের মধ্যে বাইডেন বলেছেন, ইউক্রেনে রাসায়নিক হামলা চালালে রাশিয়াকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে বাইডেন বলেন, আমার কাছে যে গোয়েন্দা তথ্য আছে, সে বিষয়ে কিছু বলব না। কিন্তু রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার করলে রাশিয়াকে সত্যি চড়া মূল্য দিতে হবে।অবশ্য রাশিয়া ইউক্রেনে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে, আমেরিকা এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। এরপরও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বারবার এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি এর আগে সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেনে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে রাশিয়া। গত বুধবার এক টুইট বার্তায় জেন সাকি বলেন, ইউক্রেনে রাসায়নিক অস্ত্র বানাচ্ছে আমেরিকা, রাশিয়ার এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যেহেতু রাশিয়া এই মিথ্যা দাবি করেছে এবং চীন আপাতদৃষ্টিতে রাশিয়ার এই প্রচারকে সমর্থন করেছে, সে জন্য আমাদের সবার উচিত হবে ইউক্রেনে রাশিয়ার সম্ভাব্য রাসায়নিক বা জৈবিক অস্ত্র ব্যবহারের ওপর নজর রাখা।

আমেরিকানদের ইউক্রেনে না যাওয়ার পরামর্শ: ইউক্রেনে যুদ্ধাবস্থার জেরে নাগরিকদের দেশটিতে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আমেরিকা। এমনকি দেশটিতে চলমান যুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধা হিসেবে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকদেরও নিরুৎসাহিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, আমরা নাগরিকদের ইউক্রেনে না যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি, বিশেষ করে যারা স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধা হিসেবে সেখানে যেতে চান, তাদেরকে। যদি সরকারের এই নির্দেশ উপেক্ষা করে কোনো নাগরিক সেখানে যাওয়ার উদ্যোগ নেন, সেক্ষেত্রে তাকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ অভিযান শুরুর পর থেকে বাইরের বিভিন্ন দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবীরা গেছেন ইউক্রেনে। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৫২ টি দেশ থেকে ২০ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী ইউক্রেনে এসেছেন এবং সেখানকার বিভিন্ন শহরে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর পক্ষে লড়াই করছেন তারা।

জেলেনস্কির বার্তা ইউক্রেন ‘টার্নিং পয়েন্টে’: ইউক্রেনের যুদ্ধ একটি ‘কৌশলগত টার্নিং পয়েন্টে’ পৌঁছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ইউক্রেনের ভূমিকে আর কতদিন মুক্ত রাখা যাবে তা বলা অসম্ভব। কিন্তু আমরা বলতে পারি, আমরা এটা করবো। আমরা ইতোমধ্যেই আমাদের লক্ষ্যের দিকে যাচ্ছি, আমাদের জয়ের দিকে। এক ভিডিও বক্তৃতায় জেলেনস্কি রুশ মায়েদের প্রতি তাদের সন্তানদের বিদেশের যুদ্ধক্ষেত্রে না পাঠানোরও আবেদন জানিয়েছেন। শনিবার সকালে ইউক্রেনের অধিকাংশ শহরে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠে বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানায় বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার বাহিনীগুলো ফের সংগঠিত হচ্ছে, তারা রাজধানী কিইভকে লক্ষ্যস্থল করে নতুন অভিযান শুরু করতে পারে।

নরওয়েতে নিজেদের শক্তি দেখাবে ন্যাটো: ন্যাটো জানিয়েছে, রওয়েতে সেনা পাঠানো হচ্ছে। সেখানে তারা একটি সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। কাল (সোমবার) এসব সেনা পাঠানো হবে। কোল্ড রেসপন্স-২০২২ সামরিক মহড়ায় ২৭ দেশের প্রায় ৩০ হাজার সেনা, ২০০ যুদ্ধবিমান, ৫০টি জাহাজ অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৪ মার্চ শুরু হবে এ সামরিক মহড়া। রাশিয়ার সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েকশ কিলোমিটার দূরে হবে এ মহড়া। যদিও মহড়ার সূচি অনেক আগে থেকেই নির্ধারণ করা ছিল কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার কারণে এখন এটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওড রজার এনোকসেন বলেন, এ সামরিক মহড়া নরওয়ে ও তার মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সামরিক মহড়া ১ এপ্রিল শেষ হতে পারে।

ক্রিমিয়া ইস্যুতে সোচ্চার হলে এমন দিন দেখতে হতো না: এদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছেন, যদি ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার হামলার পর পশ্চিমা বিশ্ব কড়া পদক্ষেপ নিত তবে আজকের এমন দিন দেখতে হতো না। পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করে এ মন্তব্য করেন এরদোগান। এরদোগান বলেন, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ায় হামলা করে রাশিয়া। পরে তা দখল করে নেয়। সে সময় যদি পশ্চিমা বিশ্ব সরব হতো তবে আমরা কি এমন পরিস্থিতিতে পড়তাম?২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল করে নেয়। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একে অবৈধ মনে করে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি সংযম গুরুত্ব পাবে এবং অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ হবে। জাতিসংঘ জানায়, ২৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে যুদ্ধে ইউক্রেনে অন্তত ৫৬৪ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৯৮২ জন। দেশটি থেকে ২৫ লাখের বেশি মানুষ পালিয়েছেন, জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা।

এবার আলোচনার জন্য মধ্যস্থতা করতে চায় বুলগেরিয়া: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতা করার জন্য বুলগেরিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভ। রুমেন রাদেভ বলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতার জন্য প্রস্তুত আছে তার দেশ। বুলগেরিয়াতেই সে আলোচনা হওয়া সম্ভব। তবে এ জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের আলোচনার জন্য বুলগেরিয়া একটি নির্ভরযোগ্য জায়গা হতে পারে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজটি করতে হবে। এ পর্যন্ত বেলারুশে তিন দফা বৈঠক করেছেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা। তুরস্কের আন্তালিয়ায়ও দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য কোনো সমাধান এখনও আসেনি এসব বৈঠক থেকে।

ইউডি/সুপ্ত

Asadujjaman

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading