দেশের জিডিপিতে অতুলনীয় ভূমিকা রাখছে ফ্রিল্যান্সাররা

দেশের জিডিপিতে অতুলনীয় ভূমিকা রাখছে ফ্রিল্যান্সাররা

সাদিত কবির । শুক্রবার, ৬ মে ২০২২ । আপডেট ১০:৫৫

বর্তমানে বাংলাদেশের বেকারত্ব দূর করার জন্য সবথেকে জনপ্রিয় মাধ্যম হল ফ্রিল্যান্সিং৷ বাংলাদেশ আজ একটি শক্তিশালী অবস্থান ধারণ করেছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে ৷বিশ্বের অন্যান্য সকল দেশের মতো বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা আজ অতুলনীয় ভূমিকা রাখছে দেশের জিডিপিতে৷ বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা খুবই জনপ্রিয় তাদের কাজের জন্য৷ বাংলাদেশ আজ ডিজিটালাইজড হচ্ছে তার সাথে সাথে বাংলাদেশের আইটি সেক্টর এবং ইন্টারনেট খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে৷ যার ফলে বাংলাদেশের দিনেদিনে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে তার পড়ালেখার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে ৷

স্বাধীন পেশা হিসেবে বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয়তা। বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা ফ্রিল্যান্সাররা অন্যান্য খাতের মত নগদ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন। আর আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলছেন, প্রণোদনা পেলে ২০২৫ সাল নাগাদ ফ্রিল্যান্সিং থেকেই বছরে আসবে ৯ হাজার কোটি টাকা। ঢাকার বাইরে এ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পরামর্শ দিচ্ছেন প্রযুক্তিখাত বিশ্লেষকরা। সব বয়সী মানুষ এখন যুক্ত হচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং কাজের সাথে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, থ্রি-ডি, টুডি মডেলিংসহ বিভিন্ন ধরনের শতাধিক কাজের মধ্যে থেকে বেছে নিচ্ছেন পছন্দ ও দক্ষতা অনুযায়ী অনলাইন টাস্ক। রাজধানীসহ সারাদেশে গড়ে ওঠা সরকারি বেসরকারি তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও বাড়ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ফাইভআর, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কমসহ বিশ্বসেরা অনলাইন মার্কেট প্লেসে বিভিন্ন দেশের সাথে প্রতিযোগিতা করছে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা। প্রতিমাসে একেকজন আয় করছেন, বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা।

ঢাকা শহর ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যার বিবেচনায় বিশ্ব র‌্যাকিং এ দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। এ পেশাকে আরো এগিয়ে নিতে যৌথ উদ্যোগে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের শাখা স্থাপনের কথা বলছেন বিশ্লেষকরা। ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয়পত্র দেয়ার মাধ্যমে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। এখন সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সারের আয়ে নগদ প্রণোদনার দাবি আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের। ফ্রিল্যান্সারদের যদি সাড়ে ১০ পারসেন্ট ইনটেসিভ দেওয়া হয়, আজকের এই ৩ শ মিলিয়ন ডলারের আয় ২০২৫ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার আয় করে দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে।
বর্তমানে ফ্রল্যান্সিংসহ আইটিখাতের বার্ষিক রপ্তানি ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে আয় ৫০০ কোটিতে নিয়ে যেতে চায় সরকার।

ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সাড়ে চার কোটি যুবক এর ১০ জনের মধ্যে প্রতি দুইজন বেকার ৷ কিন্তু তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষিত ৷এদিক থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশের যে সংখ্যক তরুণ যুবক যুবতীর রয়েছে তাদের জন্য বেকারত্ব দূর করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং একটি দুর্দান্ত উপায় হতে পারে৷ ফ্রিল্যান্সিংয়ে অনেক সেক্টর রয়েছে তারা সেগুলো তো কাজ করে একটি ভালো ক্যারিয়ার গঠন করতে পারবে৷তাছাড়া তাদের বেকারত্ব দূর করার সাথে সাথে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি বিশাল ভূমিকা পালন করবে

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading