বঙ্গবন্ধু দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের নাম

বঙ্গবন্ধু দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের নাম

ফজলুল করিম । শনিবার, ৭ মে ২০২২ । আপডেট ১১:৪৫

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-একটি অনুপ্রেরণার নাম, একটি ইতিহাস ও আদর্শের নাম, দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের নাম, অসা¤প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের নাম, লাল-সবুজের মানচিত্রখচিত একটি স্বাধীন দেশের উদ্ভাবকের নাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অগ্রনায়ক, বাঙালি স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ। তার সুমহান নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের মানচিত্রখচিত অপার সম্ভাবনাময় একটা দেশ।

গণমানুষের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধু সব সময়ই ছিলেন আপসহীন। গণমানুষের অধিকার আদায় করতে গিয়ে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়ে দিয়েছেন কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে। সইতে হয়েছে অমানবিক নির্যাতন। তবু তিনি দমিয়ে জাননি, তাকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। দেশপ্রেমের মহান আদর্শ বুকে চেপে তিনি আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য। বঙ্গবন্ধুর মহান নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে এদেশের মানুষ দেশকে শত্রæমুক্ত করার জন্য স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলার আকাশে নতুন সূর্যের উদয় হয়।

বঙ্গবন্ধু এমন এক মহামানব যিনি আমাদের মাঝে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে জন্ম থেকে জন্মান্তরে বেঁচে থাকবেন। তার সুমহান ত্যাগ আমরা কখনোই ভুলতে পারব না। এমন মহাপুরুষ হয়তো এ বাংলায় আর জন্ম নিবে না। বঙ্গবন্ধু একটি জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং একটি রাষ্ট্রের স্থপতি। সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উজ্জীবিত করেছিলেন ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অসা¤প্রদায়িকতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনে দেশের সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শোষক আর শোষিতে বিভক্ত সেদিনের বিশ্ববাস্তবতায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন শোষিতের পক্ষে।

২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস। এদিনই স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় ঘোষিত হয়ে যায়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু সশস্ত্র স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার সম্মোহনী শক্তি বলে এদেশের আপামর জনতা ঝাঁপিয়ে পড়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে, স্বাধীন করে দেশকে। স্বাধীনতার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা দেশের প্রত্যেক নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব। পাশাপাশি নাগরিকদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্বও সরকারের। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শে আমাদের আদর্শিত হতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading