অবশেষে ডেসটিনি কর্তাদের দণ্ড: ‘এমএলএম প্রতারণা’ বন্ধ হোক

অবশেষে ডেসটিনি কর্তাদের দণ্ড: ‘এমএলএম প্রতারণা’ বন্ধ হোক
দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ১৩ মে ২০২২

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২ । আপডেট ১২:৪৫

মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানিগুলো ব্যবসার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের নানান স্বপ্ন দেখিয়ে তাদেরকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। বর্তমান সময়ে ই-কমার্স মোড়কে চলছে এই ধরণের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার (১২ মে) বহুল আলোচিত ‘ডেসটিনি’ গ্রুপের কর্মকর্তাদের শাস্তির খবর গ্রাহকদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে কিন্তু তারা বলছেন এই ধরণের প্রতারণা করা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বিস্তারিত লিখেছেন বিনয় দাস

মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানিগুলো ব্যবসার নামে সাধারণ মানুষ তথা গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল। প্রতারণার অভিযোগে সরকার এমএলএম বাণিজ্য নিষিদ্ধ করেছিল। আশা করা হয়েছিল এ পদক্ষেপে কাজ হবে। মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করার অনৈতিক ব্যবসা বন্ধ হবে। কিন্তু প্রশাসনের ব্যর্থতা ও এসব কর্মকাø যারা মনিটরিং করছেন তাদের কার্যকরী উদ্যোগের অভাবে বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন ভাবে এমএলএম কোম্পানিগুলো নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে বেশ স্বাচ্ছন্দেই। মাঝেমাঝে কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে বেশ’কটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড ও তাদের কর্তাদের গ্রেপ্তার করা হলেও এই বাজারে প্রভাব পড়ছে না তেমনভাবে। সরকার ই-কমার্স ব্যবসাকে আইনের কাঠামোয় দাঁড় করানোর সর্বাত্ম চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ই-ভ্যালিসহ অনিয়ম করা বেশকিছু প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু এখনও এমএলএম প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে সমাজে কাজ করে যাচ্ছে। তা বন্ধ না করলে ডেসটিনির মতোই প্রতারণার শিকার হতে হবে গ্রাহকদের। বৃহস্পতিবার ডেসটিনির বিরুদ্ধে বহুল প্রতিক্ষীত মামলার রায় হলো। কিন্তু একই মোড়কে অন্য যারা কাজ করেছে তাদের বিচার কতটুকু এগোলো তা যাচাই করা দরকার।

ডেসটিনির রফিকুলের ১২, হারুনের ৪ বছরের সাজা: গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর এবং কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম বৃহস্পতিবার (১২ মে) এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের এ মামলায় ৪৬ আসামির সবারই বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন তিনি। আসামিদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন-অর-রশিদ, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. দিদারুল আলম, জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল জামিনে ছিলেন। আর রফিকুল আমীন ও কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন ছিলেন কারাগারে।

রফিকুল আমীন

দণ্ডিত ৪৬ আসামীর ৩৯ জনই পলাতক: দণ্ডিত বাকি ৩৯ আসামি শুরু থেকেই পলাতক। তারা হলেন- ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, শেখ তৈয়বুর রহমান, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, মো. আকবর হোসেন সুমন, আজাদ রহমান, মো. সুমন আলী খান। এছাড়া শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার, ফরিদ আকতার, আবদুর রহমান তপন, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন,গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান ও মো. শফিকুল হকও পলাতক। দশ বছর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এ মামলায় গত ২৭ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। তারপর রায়ের তারিখ ঠিক করে দেন বিচারক। এ মামলার বিচারে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২০২ জনের সাক্ষ্য শুনেছে আদালত। এছাড়া আসামিদের মধ্যে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন।

হারুন-অর-রশিদ

প্রসঙ্গত, দুদকের উপ পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসিটিনির কর্তাব্যক্তিসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি এবং ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাতের দুটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৫ মে দুদক আদালতে উভয় মামলার অভিযোগপত্র দেয়। এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলার ১৯ জনকে আসামি করা হয়। হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন দুই মামলাতেই আসামি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টি পারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন। আর ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাত করা হয়। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

ডেসটিনি গ্রুপের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানই ছিল নামসর্বস্ব: তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন, তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হত। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এ রকম ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়। আত্মসাৎ করা চার হাজার ১১৯ কোটি টাকার মধ্যে ৯৬ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগও আনা হয় দুই মামলায়। এর মধ্যে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলাটি রায় হল। ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা এখন সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

বহুল আলোচিত দুই এমএলএম কোম্পানি ডেসটিনি ও যুবকের লোগো

সব প্রতারকদেরই শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে: বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনের কার্যকারিতা না থাকায় অবৈধ মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা চলছে দেশে। তারা বলছেন, ‘মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ কার্যকর না হওয়া দুঃখজনক। ডেসটিনি গ্রুপের অনিয়ম-দুর্নীতি ও প্রতারণার ফাঁদ ধরা পড়ার পর সরকার বিষয়টি প্রথম আমলে নেয় ২০১২ সালে। এমএলএম পদ্ধতির ব্যবসায়ের মাধ্যমে এক যুগ ধরে (২০০০-১২) ডেসটিনি কোম্পানি মানুষের কাছ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রতারণা করে নিয়েছে। ডেসটিনি, যুবক, ইউনিপেটু, নিওলাইফ, ‘এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেস’, এসপিসিসহ শতাধিক কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবসার নামে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর ২০১৩ সালের অক্টোবরে এমএলএম ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন প্রণয়ন করা হয়। এতে বলা হয়, লাইসেন্স ছাড়া বহু ধাপ বিপণন কার্যক্রম চালানো যাবে না; যেসব প্রতিষ্ঠানের এ কার্যক্রম রয়েছে, আইনটি পাসের পর ৯০ দিনের মধ্যে তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ এ কার্যক্রম চালালে তার ১০ বছর পর্যন্ত কারাদø ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা হবে। এ আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম ব্যবসা করা যায় না। সরকারের অনুমোদন ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর করতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইন পাসের পরও নতুন নতুন নামে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করছে অনেকে। এতে প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। ডেসটিনির মতো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে সকল প্রতারক গোষ্ঠীকেও। তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরবে গ্রাহকদের।

নামে-বেনামে এমএলএম কোম্পানি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে

ভিন্ন নামে এমএলএম এখন বহুরূপী: ডেসটিনি-যুবকসহ বহু এমএলএম প্রতিষ্ঠান আইনের আওতায় আসায় এই ধারার প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমান সময়ে বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন রূপে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কখনো ক্ষুদ্র ঋণ, কখনো কো-অপারেটিভ সোসাইটি বা কো-অপারেটিভ ব্যাংক, আবার কখনো মাল্টিপারপাস সোসাইটিসহ নানা নামে তাদের আর্থিক প্রতারণার ব্যবসা পরিচালনা করছে। একটি জরিপ বলছে, থানায় নিবন্ধিত মামলার ভিকটিমদের ৩৪ দশমিক ৪ শতাংশই আর্থিক প্রতারণার শিকার। যাদের বড় অংশই অস্বাভাবিক লাভের প্রলোভনে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ১৩ মে ২০২২ । ১ম পৃষ্ঠা

ই-কমার্সের মোড়কে এমএলএম ব্যবসা: নাম পরিবর্তন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই এমএলএম কোম্পানিগুলো নিজেদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। কোম্পানির ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে শত শত পোস্টের মাধ্যমে ই-কমার্সের কথা বলে সাধারণ মানুষকে উচ্চ কমিশনের লোভ দেখায়। পিরামিড আকৃতির রেফার কমিশনের মাধ্যমে তারা এই ব্যবসা করছে। এক্ষেত্রে যিনি রেফার করবেন, তিনি তার নিচের তিনটি আইডি থেকে ৪শ টাকা করে কমিশন পাবেন। এরপর ওই তিনটি আইডি থেকে যখন ৩ী৩=৯ আইডি হবে, তখন আপলিঙ্কের আইডির অধিকারী ২০ শতাংশ কমিশন পাবেন। এরপর ডাউনলিংকের যতো আইডি হবে, আগের আইডি তা থেকে ১০ শতাংশ হারে কমিশন পাবেন। এটি মূলত পিরামিড আকৃতির হয়ে থাকে। এ ধরনের ব্যবসা বাংলাদেশের আইনে নিষিদ্ধ।

লোভকে জয় করতে হবে শুরুতেই: সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ্যে বিশ্লেষরা বলছেন, প্রতারিথ না হতে চাইলে লোভ সামলাতে হবে শুরুতেই। তারা বলছেন, আমাদের দেশের বাস্তবতায় স্বল্প শিক্ষিত মানুষেরাই এমএলএম কোম্পানিগুলোর অবিশ্বাস্য প্রতিশ্রুতির বলি হয় বেশি। তবে বিনিয়োগের বিপরীতে বাজারের তুলনায় অস্বাভাবিক উচ্চ হারে মুনাফার হার কিংবা অবিশ্বাস্য ছাড় ও ক্যাশব্যাকের ঘোষণায় প্রলুব্ধ হয়ে বহু শিক্ষিত মানুষ, এমনকি ব্যাংক কর্মকর্তাদেরও এসব প্রকল্পে বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গেছে। মানুষ যদি অবাস্তব প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়, তাহলে প্রতারক গোষ্ঠীর পক্ষে তাদের কষ্টার্জিত আয় হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। এ ব্যাপারে সরকারি তরফে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে এই বলে সচেতন করতে হবে, কেউ যাতে দ্রুত টাকা বানানোর চেষ্টা না করেন। মানুষ যদি লোভকে জয় করতে পারে, তাহলে অর্থবাজারের এসব ব্যবস্থাই সাধারণ মানুষকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। একমাত্র তখনই ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বেই রোগী মারা’ যাওয়া কমে যাবে।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading