হত্যা-গুম-নির্বাচন সংবাদপত্রে স্বাধীনতা প্রসঙ্গ: আমেরিকাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জিজ্ঞাসা
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০২ জুন ২০২২ । আপডেট ১৪:৪০
মানবাধিকার ইস্যুতে কোন ছাড় দেয় না আমেরিকা। সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের এমন মন্তব্যের একদিন পরই তাদের নিজ দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে আছে তা জানতে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করতে বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। আমেরিকায় বিচারবর্হিভূত হত্যা, গুম কেনো বন্ধ হচ্ছে না এসব প্রশ্ন তুলে ধরার পরামর্শও দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও শাসনের দায়িত্ব আমেরিকার নয়। বিস্তারিত লিখেছেন আবদুল্লাহ সিফাত
বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সম্প্রতি বলেছেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তার এমন মন্তব্যে একথা ফুঁটে ওঠে যে মানবাধিকার প্রশ্নে আমেরিকা কোনো ছাড় দেয় না। কিন্তু সেই আমেরিকায়ই মানবাধিকার পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে আছে প্রশ্ন থেকে যায়। আর এই প্রেক্ষাপটে আমেরিকার রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে প্রশ্ন করা বাদ দিয়ে আমারেকিায় বিচারবর্হিভূত হত্যাকাø ও গুম এবং মানবাধিকার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে সাংবাদিকদের পরামর্শ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক ক্ষুদেবার্তায় বুধবার (১ জুন) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পরামর্শ আসে।
আমেরিকায় বছরে ১ লাখ গুম হয়
একে আব্দুল মোমেন বলেন, আমেরিকায় প্রতি বছর ১ লাখ মার্কিন নাগরিক নিখোঁজ হচ্ছে। এমনকি শিশুরা তাদের হিস্পানিক পিতামাতার সঙ্গে দেখা করা থেকে বঞ্চিত হয়। আমেরিকাকে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করুন, বাংলাদেশের বিষয়ে নয়। আমাদের দেশ শাসন ও উন্নতিতে সহায়তা করতে আমেরিকা বাধ্য নয়। পিটার হাস বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন স্পষ্ট করেছেন যে, মানবাধিকার ও মানবাধিকার রক্ষা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু। র্যাব ও র্যাব কর্মকর্তাদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে সেটা তারই ফল। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং এর বর্তমান ও সাবেক ৭ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আমেরিকা। সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশ গত কয়েক মাস ধরে নানা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনে র্যাবের জবাবদিহিতা এবং সেই অপব্যবহারের ঘটনা যাতে আর না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য সংস্কারের কথা বলেছেন মিস্টার হাস।
আমেরিকায় বেড়েই চলেছে গুম-খুন
মানবাধিকার নিয়ে বুলি আওড়ানো আমেরিকায়ই দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে গুম-খুন। এর মধ্যে কিছু মানুষ ফিরে এলেও বেশিরভাগই নিখোঁজ। যা নিয়ে দিন দিন দেশটির নাগরিকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। অন্যদিকে, পুলিশি নির্যাতনের মাত্রাও ছাড়িয়েছে সীমা। দেশটির ন্যাশনাল ক্রাইম ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য বলছে, পুলিশের গুলিতে গত সাত বছরে নিহত হয়েছেন সাড়ে সাত হাজার মানুষ। অত্যাচারিত হওয়ার সংখ্যা কোটির কাছাকাছি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ আমেরিকা। বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতির মোড়ল। বিশ্বকে মানবাধিকারের সবক দেওয়া দেশটিতেই ঠিক নেই মানবাধিকার পরিস্থিতি। বাস্তবিক অর্থেই দেশটির পরিস্থিতি দিন দিন বেগতিক হচ্ছে। গুম, খুন, পুলিশি নির্যাতন যেন মামুলি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা বিশ্লেষণে তা স্পষ্ট। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ মার্কিন নাগরিকরাই।শুধু তাই নয়, পুলিশি নির্যাতনের মাত্রাও চরমে পৌঁছেছে। সারাবিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় মার্কিনরা অত্যন্ত সোচ্চার অথচ তাদের দেশেই ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে পুলিশের গুলিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যার কোনো নির্দিষ্ট বিচার নেই। জর্জ ফ্লয়েডের মতো আরও কয়টি ঘটনা আলোচনায় আসে। ২০২০ সালের ২৫ মে মিনেসোটা শহরের মিনিয়াপোলিসে আফ্রিকান আমেরিকান ওই ব্যক্তির পুলিশের হাতে আটকের পর নির্মম মৃত্যুর ভিডিও ভাইরাল না হলে হয়ত এরও কোনো বিচারই হতো না।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আমেরিকায় কই?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যদি তারা (আমেরিকা) গণমাধ্যমের স্বাধীনতা চায়, তাহলে তারা কেন রাশিয়ান চ্যানেল আরটির সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে। যদি তারা জবাবদিহিতা চায়, তাহলে মার্কিন পুলিশ যে প্রতি বছর কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিকসহ হাজারো মানুষকে হত্যা করছে, সেজন্য কেন তাদের বিচার হচ্ছে না, তারা কেন জবাবদিহির আওতায় আসছে না?’ পিটার হাস বলেছিলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশের জনগণ, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের কাজ। তার এই কথার প্রতিউত্তরেই এমন প্রশ্ন আসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।
আমেরিকার নির্বাচনে আস্থা নেই তরুণদের
সাংবাদিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে এসব বিষয়ে কেন প্রশ্ন করেন না? যদি তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়, তাহলে সেখানকার তরুণ নাগরিকদের কেন তাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর বিশ্বাস নেই? কেন তারা ভোট দিতে যায় না? খুব কম মার্কিন তরুণই আছে, যারা ভোট দেয়। প্রতি নির্বাচনে কেন তাদের ভোট গণনা ২৫ শতাংশের মতো? এটা কি অংশীদারিত্বের ভোটের প্রতিনিধিত্ব করে?’ বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, সম্প্রতি আমি আন্তর্জাতিক মানদø অনুযায়ী বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের গুরুত্বের কথা বলেছি, যেন বাংলাদেশের জনগণ অবাধে তাদের নেতা নির্বাচন করতে পারেন। তিনি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের কথাও বলেন, যেখানে নির্বাচন কমিশন ও স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরামর্শ বাংলাদেশের সাংবাদিকরা যেনো এসকল কথামালার প্রতিউত্তরে আমেরিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া ও অংশগ্রহণ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করে।
শ্রীলঙ্কার চলমান অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান নিয়ে পিটার হাস বলেন, বাংলাদেশ কিন্তু শ্রীলঙ্কা নয়। বাংলাদেশের অর্থনীতি তার নিজের মতো। বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে যথেষ্ট ভালো করেছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেশ ভালো। ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এর শর্তগুলো কেমন তা নিয়ে বাংলাদেশ যথেষ্ট সচেতন। বাংলাদেশের ঋণের ক্ষেত্রে চীনের হার তুলনামূলকভাবে বেশ কম। পিটার হাস আরও বলেন, বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের বড় অংশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্ব ব্যাংক ও জাপান। তাই শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে না এমনটা নয়। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার জানিয়েছেন, আমাদের দেশকে শাসন বা উন্নত করার দায়িত্ব আমেরিকাকে দেওয়া হয়নি।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে এসে আমেরিকায় এত গুম কেন? সে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। দেশভিত্তিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৯৮টি দেশ এবং অঞ্চলের ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্যাতন, সরকার কিংবা সরকারের এজেন্টদের মাধ্যমে নাগরিকদের অমানবিক শাস্তি, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, কারাগারে জীবন-সংকটাপন্ন পরিস্থিতি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিশোধ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বাধা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিক নির্যাতন, ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধের মত মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এছাড়া নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার ও তাদের জবাবদিহিতার বাইরে থাকার কথা বলা হয়। এসময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, আমেরিকায় প্রতি বছর এক লাখের মতো মানুষ গুম হয়। এ বিষয়ে
দূতাবাসের মত কী?
জবাবে দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, আমেরিকা তাদের সমস্যাকে অস্বীকার করছে না। কিন্তু সমস্যাগুলোকে যদি আমরা ইগনোর করি, তাহলে সেগুলোর সমাধান হবে না। আমরা আমাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করি এবং সেগুলো সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা আমেরিকা করে থাকে।
মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আমেরকিার নিজেদের প্রতিবেদন নেই
বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ১৯৮টি দেশের প্রতিবেদন থাকলেও আমেরিকার কোনো প্রতিবেদন কিংবা তথ্য না থাকার বিষয়ে ওই সময়ে জানতে চান একজন সাংবাদিক। জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, আমেরিকার রিপোর্টিং সিস্টেম অত্যন্ত কঠিন এবং এটা এমন নয় যে, আমেরিকা সবসময় অন্যান্য দেশগুলোর রিপোর্টই করছে। নিজেদের কনস্টিটিউশন, ইনস্টিটিউশনগুলোও কড়া নজরদারির মধ্যে আছে। প্রতিবেদনটির তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে সংবাদ সম্মেলনে। বিতর্কিত এনজিওর তথ্য দিয়ে একটি দেশের মানবাধিকার প্রতিবেদন দেওয়া যায় কি না, এমন প্রশ্নে দূতাবাসের কর্মকর্তা তাদের প্রতিবেদনকে ‘বস্তুনিষ্ঠ’ দাবি করেন।আমরা সামগ্রিকভাবে যা দেখতে পাই, সেটাই প্রকাশ করি। একটা সোর্স থেকে নয়, অনেক সোর্স থেকে তথ্য নিয়ে আমরা রিপোর্ট করছি। যাদের থেকে নিচ্ছি, তাদের নাম আমরা প্রকাশ করছি। ইনডেক্সগুলো সবদেশের ক্ষেত্রে এক নাকি একেক দেশের ক্ষেত্রে একেকরকম হচ্ছে এমন প্রশ্নের এর জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, একেক দেশের একেক প্যারামিটারের ওপর নির্ভর করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু থিমগুলো যেগুলো থাকে, মানবাধিকার, নারী অধিকার- এগুলো সব দেশের জন্য একই থাকে।

ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সংলাপ আজ
বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আজ বৃহস্পতিবার (২ জুন) ওয়াশিংটনে অর্থনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই সংলাপে উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনায় বসছেন। সূত্র জানায়, সংলাপে বাংলাদেশের শ্রম বা ট্রেড ইউনিয়নের সমস্যা নিয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। এছাড়া বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ আলোচনা তুলবে বাংলাদেশ। এদিকে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার বিশেষ অর্থনৈতিক কাঠামো (ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর প্রোসপারিটি-আইপিইএফপি) সম্পর্কে আলোচনা তুলবে ওয়াশিংটন। ওয়াশিংটনে দিনব্যাপী এ সংলাপে খাদ্য কৃষি সহায়তা, পোশাক শিল্প, জ্বালানি, ওষুধ, তথ্য-প্রযুক্তি, টেলিকম ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে বলে বলে আশা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটনে আয়োজিত এ সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এতে আরও যোগ দেবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। আর আমেরিকার পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি এবং পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি হোসে ডাব্লিউ ফার্নান্দেজ।উল্লেখ্য, ঢাকা-ওয়াশিংটনের মধ্যে এবার দ্বিতীয় দফায় এ সংলাপ শুরু হচ্ছে।
ইউডি/সুস্মিত

